১৮ তম জাতীয় টিকা দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ানোর কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
১০ জানুয়ারী রবিবার সকাল আটটায় দেশের এক লাখ ৪০ হাজার স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে শিশুদের এ টিকা খাওয়ানো কর্মসূচি শুরু হয়। বিকাল চারটা পর্যন্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে মহল্লায় মহল্লায় বিরতিহীনভাবে এ কার্যক্রম চলে।
সকাল থেকে সরকারি উদ্যোগে সারাদেশে মাইকিংসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে সব অভিভাবককে শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের ভিড়ও দেখা যায়।
প্রথম রাউন্ডে দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে ২ ফোটা পোলিও টিকা খাওয়ানো হয়। একই সঙ্গে রাত কানা রোগের ঝুঁকি কমাতে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপ্সুল এবং দুই বছর থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে খাওয়ানো হচ্ছে কৃমি নাশক ঔষধ।
এছাড়া ১৪-২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে হামের টিকা দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৯ জানুয়ারী শনিবার ১৮তম জাতীয় টিকা দিবসের উদ্বোধন করেন।
এদিকে শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, বাংলাদেশ থেকে পোলিও ‘একপ্রকার নির্মূল’ হয়ে গেলেও প্রতিবেশী দেশ পোলিওমুক্ত না হওয়ায় দেশকে পুরোপুরি পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা যাচ্ছে না।
টিকাদান থেকে যেন একটি শিশুও বাদ না পড়ে সেজন্য সচেতন হতে অভিভাবক ও সবাইকে অনুরোধ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে খালি পেটে কোনো শিশুকে টিকা বা কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না বলেও অভিভাবকদের সচেতন করা হয় ।
|