ডায়াবেটিস ও অসচেনতার করণে দেশে অনিরাময়যোগ্য অন্ধত্বের সংখ্যা বাড়ছে। এ জন্য চিকিৎসার পাশাপাশি চোখের সমস্যা প্রতিরোধের দিকে জোর দিতে হবে। চিকিৎসা শিক্ষাক্রমে চোখের সমস্যা প্রতিরোধের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসে (বিসিপিএস) আয়োজিত বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজিকেল সোসাইটির দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, আইন করে চিকিৎসাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা যাবে না। এর দেশের সকল নাগরিকের এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়িত হলে দল-মত নির্বিশেষে সবাই উপকৃত হবে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি আভা হোসেন বলেন, চক্ষু বিজ্ঞানের চলমান ধারায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। রোগ পরিচর্যার সহ রোগ প্রতিরোধের দিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। যুগোপযোগী শিক্ষাক্রমের দিক থেকে আমরা পিছিয়ে আছি। তাই মেডিকেল শিক্ষাক্রমেও এ ব্যাপারটিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
সংগঠনের মহাসচিব মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দেশে চক্ষুসেবায় রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর ব্যাপারটি নেই। ডায়াবেটিস ও বার্ধক্যজনিত কারণে অন্ধত্বের হার বাড়ছে। ডায়াবেটিস নির্ণীত হওয়ার ২০ বছরের ভেতর ৭৫ শতাংশ রোগী ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথিতে আক্রান্ত হয়, যা ডায়াবেটিসজনিত অন্ধত্বের প্রধান কারণ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ আলতাফ আলী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মনির হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি এম এ মতিন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান, বিএমএ মহাসচিব শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজিকেল সোসাইটির সাংগঠনিক উপকমিটির সভাপতি দীন মো. নূরুল হক, সংগঠনের সাংগঠনিক উপকমিটির সদস্যসচিব আনিসুর রহমান প্রমূখ।
|