জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ বলেন প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রে সুবর্ণ নাগরিক লেখার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে । গত ৩রা ফেব্রুয়ারী জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামের সভাপতি খন্দকার জহুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথির হিসেবে ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন। অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন জাতিসংঘের প্রতিবন্ধীবিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিটির সদস্য মনসুর আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চিকিৎসক অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, সাইট সেভারস ইন্টারন্যাশনালের দেশীয় পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম, ফোরামের শুভাকাঙ্ক্ষী জুলিয়ান ফ্রান্সিস, গণগ্রন্থাগারের পরিচালক নুরুল আলম তালুকদার, কবি কাজী রোজী, সোশ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ফর দ্য ফিজিক্যালি ভালনারেবলের (এসএআরপিভি) প্রধান নির্বাহী শহীদুল হক প্রমুখ।
সমাজকল্যাণমন্ত্র্রী বলেন এখনো প্রতিবন্ধী নাগরিকদের পঙ্গু, অন্ধ বা আতুড় বলা হয়। এই শব্দগুলো সমাজ থেকে চিরতরে দূর করা উচিত। মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবন্ধী নাগরিকদের চাকরির বয়সসীমা বর্তমানের ৪০ থেকে বাড়িয়ে ৪২ বছর করা হবে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় একটি কঠোর আইন প্রণয়নের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, সরকারকে প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে তাদের আর সমাজে করুণার পাত্র হয়ে থাকতে হবে না।
সভায় ফোরামের পক্ষ থেকে বাংলা ইশারা-ভাষার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে গণগ্রন্থাগার পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
|