কোরবানীর বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ ডা. মিলন হত্যার বিচার দাবিতে বিএমএ' র আলোচনা সভা স্বল্প খরচে দরিদ্র মানুষকে চিকিৎসা দিন : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ডায়াবেটিস পরিস্থিতি উন্নয়নে চতুর্মূখী কার্যক্রম দরকার যমজ বোন তৃষ্ণা ও কৃষ্ণা ভাল আছে

প্রতিবেদন: বাংলাদেশে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে

এইচ এম দিদার

বিশ্বব্যাংক ও ইউএন এইডসের গবেষণা
গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে 'টুয়েন্টি ইয়ারস অব এইচআইভি ইন বাংলাদেশ: এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় বাংলাদেশে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। একই সিরিঞ্জের বহু ব্যবহার, সমকামিতা ও অরক্ষিত যৌনসংসর্গের কারণে দেশে এইডস ঝুঁকি ক্রমে বেড়েই চলেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও যাতায়াত বৃদ্ধির কারণে দেশে এইডস ঝুঁকি বাড়ছে বলে গবেষণাপত্রে জানানো হয়।

প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন গোল্ডস্টেইন, ইউএনএইডস-এর কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর সেলিল পানাকাদান, আইসিডিডিআর,বি'র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক স্টিভ লুবে প্রমুখ।

বিশ্বব্যাংক ও ইউএনএইডস যৌথভাবে এ প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বিশ বছরে মাদকাসক্তদের মধ্যেই এইচআইভি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। এছাড়াও বিদেশ থেকে আসা শ্রমিক, সীমান্ত এলাকার যৌনকর্মী ও সমকামীদের ক্ষেত্রে এই হার আশংকাজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ঝুঁকিবহুল ক্ষেত্রগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণে আনা না হলে অবস্থা আরো মারাত্মক হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে এইডস প্রতিরোধে যৌথ কর্ম পরিকল্পনা, জোরালো নজরদারি, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ ও চিকিৎসা সেবার সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদন পরবর্তী আলোচনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, এইডসের ভয়াবহ দিকটি উপলদ্ধি করতে পেরে এদেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা সেবারও অনেক উন্নতি হয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকেও তিনি ইতিবাচক বলে অভিহিত করেন। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। পরবর্তী সময় থেকেই সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এ বিষয়ে সচেতনতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় এইচআইভির বিস্তার তেমন ঘটেনি বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।