
|
অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে সার্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে |
-জাফর সাদেক শিবলী অপরিকল্পিত নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্যসেবার ওপর। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয় আছে। তবে এসব মন্ত্রণালয়ের একটির সাথে অন্যটির কাজের কোন সমন্বয় নেই। যে কারণে কোন মন্ত্রণালয় কোন নীতি চূড়ান্ত করলে অন্য মন্ত্রণালয় তার বিপরীতে অবস্থান নেয়। অথচ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সবার আগে আন্তমন্ত্রণালয় যোগাযোগ বৃদ্ধি করা দরকার। এরপরই দরকার প্রতিনিয়ত গ্রাম থেকে ছুটে আসা ঢাকামুখী মানুষের চাপ কমানো। কারন ঢাকায় মানুষ বাড়লেও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সুবিধা আনুপাতিকহারে কমছে। বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, ঢাকা অপরিকল্পিত নগরায়ন সবার আগে বন্ধ করা দরকার। এই প্রবণতা বন্ধ না হওয়ায় যত্রতত্র কলকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দালানকোঠা গড়ে উঠেছে। ফলে মানসিক চাপ বৃদ্ধি, হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিক, ধূমপান ও মদ্যপানের প্রবণতা বৃদ্ধিসহ মৃত্যু, সন্ত্রাস ও সড়ক দুর্ঘটনা অব্যাহতভাবে বেড়ে গেছে। অপরিকল্পিত নগরায়নের কুফল স্বীকার করে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হক বলেন, পৃথিবীতে ইতোমধ্যে প্রায় ৩শ’ কোটি মানুষ নগরে বসবাস করছে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী ২০৩০ সালে বিশ্বের শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ শহরে অবস্থান করবে। তবে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে নগর জীবন হয়ে উঠছে দুর্বিষহ ও অস্বাস্থ্যকর। অপরিকল্পিত নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্যসেবার ওপর। এ ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে আমরা সামনে নীতি নির্ধারণ করার কথা ভাবছি। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি ঘটিয়ে নগরগামী মানুষের সংখ্যা কমাতে হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন ঘটাতে হবে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার। এছাড়া নগরায়নের সুফল পাওয়া অসম্ভব। |
Copyright © 2009 |Amarhealth|