আমারহেলথ (২৬জুলাই, সোমবার): ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবহার করে মৎস্য ও পশুখাদ্য উৎপাদন, বিপণন তিনমাসের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সাথে ট্যানারির বর্জ্য মৎস্য ও পশুখাদ্যে ব্যবহার বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না-এ মর্মে সরকারের প্রতি তিন সপ্তাহের রুল জারি করা হয়েছে।
বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দীন চৌধুরী ও শেখ মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন আদালত। এছাড়াও এ বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে একটি নির্দেশনা প্রদান করে আদালত।
আদালতের দেয়া নির্দেশনা গুলোর মধ্যে আছে- প্রথমত, সব বিবাধীদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন এবং এই কমিটির মাধ্যমে ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় পশু খাদ্য উৎপাদনে ট্যানারির বর্জ্য ব্যবহার বন্ধে কার্যকর উপায় ও নীতিমালা প্রণয়ন।
দ্বিতীয়ত, বিএসটিআইয়ের এমডি এবং বিএসটিআইএর চেয়ারম্যান ও আইজিপি যৌথভাবে হাজারিবাগে মৎস পশু খাদ্যে ট্যানারি বর্জ্য প্রসেসিং সংক্রান্ত ফ্যাক্টরী ও ব্যবসা বন্ধ।
এর পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।
তৃতীয়ত, বাজারের বিভিন্ন জায়গা (১০ টি থানার ১০টি বাজার) থেকে মাছ, মাংস, মুরগীর ডিম সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরীতে ক্রোমিয়াম ও অন্য ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা পরীক্ষা এবং বিএসটিআই ও বিসিএসআইআর তিন সপ্তাহের মধ্যে সংগ্রহ করা জিনিস পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল।
সবশেষ, একইভাবে স্বাস্থ্য সচিবকে ডিম, মাছ, মাংস সংগ্রহ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ হতে পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়।
|