
|
জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করবে |
বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ ও বিশিষ্ট পরিবেশবিদ আবু নাসের খান এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় যক্ষা নিরোধ কর্মসূচী (নাটাব) এর কর্মসূচী সমন্বয়কারী সাগুফতা সুলতানা, বাদসার সভাপতি এডভোকেট মাহবুব আলম, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট এর কর্মসূচী সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিলন ও দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট এর প্রকল্প কর্মকর্তা সৈয়দা অনন্যা রহমান প্রমুখ। আইন মন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্ম ধূমপানসহ তামাকে আসক্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এ আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে মাদকের দিকে ধাবিত করে। তাছাড়া গ্রামীণ জনপদে নারীরা জর্দা, সাদা পাতা ব্যবহারে অভ্যস্ত। বিড়ি-সিগারেট, জর্দা-গুল, সাদাপাতাসহ তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট এর সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আইনে তামাকজাত দ্রব্য হিসাবে শুধু ধূমপান সংশ্লিষ্ট তামাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাদাপাতা, জর্দা, গুলসহ চর্বনযোগ্য তামাককে আইনে অন্তর্ভূক্ত করা দরকার। এছাড়া বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে নিরক্ষরতার হার বেশি। এজন্য তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে ছবিযুক্ত সতর্কবাণীর প্রচলন করা দরকার। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন এর চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, তামাক চাষ, প্রক্রিযাজাতকরণ, সেবন-সব পর্যায়ই মানব স্বাস্থ্য, পরিবেশ, অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এজন্য তামাক নিয়ন্ত্রণে আইনকে আরও শক্তিশালী করা দরকার। তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়টি আইনে থাকা দরকার। সভাশেষে প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন উন্নয়নের দাবিসম্বলিত একটি স্মারকলিপি আইনমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হয়। |
Copyright © 2009 |Amarhealth|