আমার হেলথ (অগাস্ট ১৮, বুধবার): বান্দরবানে তামাক চাষ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া তামাক চুল্লি ও গুদাম কেন অপসারণ করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়েছে আদালত। আগামী সাতদিনের মধ্যে বান্দরবান জেলা প্রশাসক, সাত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, বান্দরবান ও লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, থানার ওসি, কৃষি কর্মকর্তাকে কারণ জানাতে বলা হয়েছে।
অগাস্ট ১৮, বুধবার বিকালে বান্দরবান জেলা যুগ্ম জজ মো. সামস উদ্দিন খালেদ জনস্বার্থে একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেন। দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি আলাউদ্দিন শাহরিয়ার ও জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল এই আবেদন করেন।
আদালত তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে তামাক কোম্পানিগুলোর আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে। আবেদনে বলা হয়, তামাক চাষ নাগরিকের স্বাভাবিক জীবনযাপনের অন্তরায়। তামাক সেবন মানুষের মৃত্যু ঘটায়।
তামাক কোম্পানিগুলো চাষীদের প্রলুব্ধ করে তামাক চাষে আগ্রহী করে তুলছে। গত বছর বান্দরবানে ১০ হাজার ২১২ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। এ কারণে অন্য ফসলের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
বাদি পক্ষে শুনানি করেন- এডভোকেট মো. মহিউদ্দিন, মো. ইলিয়াছ-উর রহমান ও বিশ্বজিৎ চাকমা। বাদি আলাউদ্দিন শাহরিয়ার সাংবাদিকদের জানান, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি এ আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, বান্দরবানের সাত উপজেলার অধিকাংশ আবাদি জমি তামাকের দখলে চলে গেছে। এই চাষ প্রতিবছর বেড়েই চলছে।
|