জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

মানববন্ধনে বক্তারা-
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বিধিমালা বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করতে হবে

০৩জুলাই, আমারহেলথ: উচ্চমাত্রার শব্দ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্হ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শব্দদূষণ মানুষের শ্রবণক্ষমতা হ্রাসের পাশাপাশি মাথা ধরা, অনিদ্রাসহ নানা রোগ সৃষ্টি করে। অথচ বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অধীনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এ আইন বাস্তবায়ন না হওয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার কার্যকর বাস্তবায়নে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করা দরকার। এতে প্রাইভেট গাড়ির অযথা হর্ণ বাজানোর জন্য দ্রুত শাস্তি দেয়া সম্ভব হবে।
শুক্রবার নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও গ্রীণ মাইন্ড সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা একথা বলেন।
নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেসনের চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ রানার সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচীতে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য  রাখেন পুরান নগরবাসী সংগঠনের সভাপতি হাজী আনসার আলী, সদস্য আবুল কাশেম, গ্রীণ মাইন্ড এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ আমির হাসান, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ।
ইবনুল সাঈদ রানা বলেন, শব্দ দূষণের প্রধান উৎস প্রাইভেট গড়িসহ যানবাহনের শব্দ বা হর্ণ। অধিকাংশ সময় দেখা যায়, অসচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতার অভাবে চালকরা মাত্রাতিরিক্ত হর্ণ বাজিয়ে থাকেন। আবাসিক এলাকায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ইটভাঙ্গানোর মেশিন। ফলে ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে জনগণ। মানুষকে শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। 
বক্তারা আরো বলেন, শব্দদূষণের ভয়াবহতা দৃশ্যমান না হওয়ায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জোরালো নয়। শব্দদূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরার জন্য সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশন চ্যানেলকে এগিয়ে আসতে হবে। এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
কমৃসূচীতে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট, টিডাব্লিউসিসহ পরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।