জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

ঢাকার চারপাশের নদীগুলো দখলমুক্ত করতে সীমানা খুঁটি

আমারহেলথ (১৩ ডিসেম্বর, সোমবার): ঢাকার চারপাশ দিয়ে প্রবাহিত বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে সীমানা চিহ্নিত করে খুঁটি বা পিলার দেওয়া হবে। ২০১১ সালের মে মাসের মধ্যে এ কাজ শেষ করা হবে। এ জন্য ৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হবে দরপত্র-প্রক্রিয়া।
১২ ডিসেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদীর নাব্যতা এবং স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ধরে রাখার লক্ষ্যে পরামর্শ দেওয়া, সুপারিশ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গঠিত টাস্কফোর্সের দশম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন আইন (খসড়া) অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন টাস্কফোর্সের সভাপতি ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। এতে অন্যান্যের মধ্যে ভূমিমন্ত্রী মো. রেজাউল করিম, পানি সম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, সাংসদ আ ক ম মোজাম্মেল হক, মো. আসলামুল হক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্থাপ্রধান, জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ আন্দোলনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, ঢাকা শহরের চারপাশের নদীর জায়গা, খাল ও জলাশয়ের দখলদার এবং তাদের সহযোগী সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি তিন মাসের মধ্যে টাস্কফোর্সের সভাপতির কাছে প্রতিবেদন পেশ করবে। এ ছাড়া কমিটি প্রতি মাসে তাদের কাজের অগ্রগতি সভাপতিকে জানাবে।
সভায় বলা হয়, ওয়াসার পয়োনিষ্কাশন লাইনে রাজধানীর গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকার বাড়ি থেকে সরাসরি সংযোগ দেওয়ায় ১৩৮টি উৎসমুখ দিয়ে চারদিকের নদীগুলো দূষিত হচ্ছে। সভায় বর্জ্যমুক্ত বুড়িগঙ্গা নদী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশন ও রাজউককে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উৎসমুখ দিয়ে নদীদূষণ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন সচিব রাজউকের চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ডিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিয়ে মাসে দুইবার বৈঠক করবেন।