জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

নদ-নদীর নাব্যতা ও গভীরতা বাড়াতে কোটি টাকার প্রকল্প

আমারহেলথ (১৮ অগাস্ট, বুধবার): দেশের নদ-নদীর নাব্যতা ও গভীরতা বাড়াতে ২ হাজার ৯৫ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ২০১২ সালের মাঝামাঝি প্রকল্প দুটির কাজ শেষ হবে। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে একশ কোটি ডলারের যে চুক্তি হয়েছে তার মধ্যে এসব প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় সরকার ১৭টি ড্রেজার কিনবে।
প্রকল্প দুটি আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রলালয় সূত্রে জানা গেছে। পরিকল্পনা কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ নদী ড্রেজিং এর জন্য ড্রেজার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রকল্পের আওতায় ১১টি এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬টি ড্রেজার ক্রয় করা হবে। ড্রেজার ও আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৫৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও  নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাজে ৬শ ৩৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। নদী ড্রেজিং প্রকল্প বাস্ত্তবায়ন হলে প্রতি বছর প্রায় ২শ ১৬ লাখ ঘন মিটার ড্রেজিং করা সম্ভব। প্রকল্পের আওতায় ৬শ ৫০ মি. মি. ডায়ামিটার ৭ সেট ও ৫শ মি. মি. ডায়ামিটার ৪ সেট যন্ত্রপাতিসহ ড্রেজার ক্রয় করা হবে।
অন্যদিকে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও  নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পের অধীনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জন্য ২টি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জন্য ৩টি ও মংলা বন্দর ড্রেজিং এর জন্য ১টি ড্রেজার কেনা হবে। বাংলাদেশ-ভারত প্রটোকল রুটসহ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ড্রেজিং ক্ষমতা বাড়ানো এ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।
কমিশন সূত্র জানায়, গ্যাস সংকট মেটাতে ৭শ ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পসহ মোট ৭টি প্রকল্প একনেকে উত্থাপন করা হবে। অন্যান্য প্রকল্প হচ্ছে- বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের রহরামপুর ৪শ কেভি গ্রিড আন্তঃসংযোগ প্রকল্প। এ প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ৫শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে বাংলাদেশ।