আমারহেলথ, (১৫ জুলাই, বৃহস্পতিবার): পরিবেশ বিপর্যয় সংক্রান্ত অপরাধের জন্য এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত সাজা ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন-২০১০ উত্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার জলাধার, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য, পাহাড় ও টিলা এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার সংজ্ঞা নির্ধারণ, পরিবেশ বিপর্যয় বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কাজের শাস্তি বৃদ্ধিসহ ১০টি বিষয়ের সংশোধনী এনে সংসদে এ বিলটি উত্থাপিত হয়।
সংশোধিত এই আইনে জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন না করার বিধান রাখা হয়েছে।
স্পিকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ পাসের জন্য বিলটি উপস্থাপন করেন। প্রতিমন্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার বিলটি অধিকতর সংশোধন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান।
উত্থাপিত বিলটিতে জলাধার ভরাটের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, জলাধার হিসাবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে শ্রেণী পরিবর্তন করা যাবে না।’
জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট পরিবেশদূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি না হয় সে জন্য সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এ জন্য প্রত্যেক জাহাজ মালিক, আমদানিকারক ও জাহাজ কাটা বা ভাঙার কাজে ইয়ার্ড ব্যবহারকারী ওই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পাহাড় কাটায় নিষেধ আরোপ করে ধারা সংযোজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। |