জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

পবার মানববন্ধনে বক্তারা :

নগরবাসীক ধূলিজনিত রোগের হাত থেকে বাঁচান

ঢাকা মহানগরীর নানা রকম দূর্ভোগের মধ্যে ধূলা-বালির দুষণ অন্যতম। নগরের পথে-প্রান্তরে ধূলিকণা অস্বাভাবিকহারে নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণের কারনে অনেক মানুষ যক্ষা, হাপানী, শ্বাসকষ্ট, ব্রঙ্কাইটিস, চোখের নানা রকম রোগ চর্মরোগ সহ অসংখ্য জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে এ ধরণের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় নগর ভবনের সামনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) কর্তৃক আয়োজিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইবনুল সাঈদ রানা, পবার সহ-সম্পাদক সাগিরুজ্জামান শাকিক, পুরান ঢাকা উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মেসবাহ উদ্দিন সুমন, আনসার আলী প্রমুখ।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের লাইন স্থাপনের সময় রাস্তা খোড়া হয়। সেখান থেকে উত্তোলিত মাটি রাস্তায় জমে থাকে। পাকা ভবন নির্মানের সময় বালি, সিমেন্ট, কংক্রিট রাস্তায় স্তুপ করে রাখা হয়, যা থেকে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে বিপুল পরিমান ধূলিকণা এ রকম অসংখ্য উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ ধূলা বাতাসে মিশে আজ অবরুদ্ধ করে ফেলেছে আমাদের নিঃশ্বাস। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। অবিলম্বে সরকারকে এ বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের জোর জানাচ্ছি।
বক্তারা বলেন, অন্যান্য পদার্থের মধ্যে ভাসমান ধূলিকণাও বায়ুর একটি অন্যতম উপাদান। একটি ধূলিকণার আকার ১০ মাইক্রোগ্রামের বেশী হলে তা বায়ুতে ভেসে বেড়াতে পারে না,  ছোট আকারের ধূলিকণাই বাতাসে ভেসে বেড়ায় এবং দূষণ ঘটায়। প্রতি ঘণমিটার বাতাসে এরকম ২০০ মাইক্রোগ্রাম পর্যন্ত ধুলিকণা স্বাভাবিক বলে ধরা হয়; তার বেশী হলেই তাকে ধূলি দূষণ বলা হয়। ঢাকা মহানগরীর বাতাসে বর্তমানে এই ধূলিকণার পরিমান এত অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে যে তা দূষণের সর্বোচ্চ মাত্রাকে অতিক্রম করে গেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি