জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ফান্ড পেতে এনজিওগুলো মরিয়া

জাফর সাদেক শিবলী , আমারহেলথ (৩১জুলাই, শনিবার): জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গঠিত ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’-এর অর্থ পাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বেশ কয়েকটি এনজিও। প্রকল্প বাস্তবায়নে যোগ্যতার অভাব এবং প্রস্তাবে নানামুখী অসঙ্গতি থাকার পরও এনজিওগুলো অনুদান পেতে নানামুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ক্লাইমেট চেঞ্জ ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৭০০ কোটি টাকার তহবিলের অর্থ পাওয়ার জন্য এনজিওগুলো তিন হাজার ৩৩৪ টি প্রকল্প প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্রত্যেকটি প্রকল্প প্রস্তাবের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে আরো জোর তদবির শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় প্রতিটি প্রকল্প প্রস্তাবের মান এতটাই নিম্ন যে এর বিপরীতে কোন অর্থই বরাদ্দ দেয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ উঠেছে অধিকাংশ এনজিও তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকা পাওয়ার আশায় ঐকিক নিয়মে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি করেছে।
ক্লাইমেট চেঞ্জ ইউনিট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য তহবিল গঠন করা হয়েছে। এসব অর্থ হরিলুট হলে প্রশ্ন উঠবে। এ ছাড়া দাতারা ক্লাইমেট চেঞ্জ রিজুলেন্স ফান্ডে যে অর্থ ছাড় করবে সেখানেও এর প্রভাব পড়বে।
ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের সূত্রমতে সর্বমোট তিন হাজার ৬২৩টি প্রকল্প প্রস্তাব জমা পড়েছে। এর মধ্যে সরকারী প্রকল্প প্রস্তাবের সংখ্যা ২৮৯ টি আর এনজিওদের প্রকল্প প্রস্তাবের সংখ্যা তিন হাজার ৩৩৪টি।
সূত্রমতে, ট্রাস্ট ফান্ডের ৭০০ কোটি টাকার মধ্যে ৩৪ ভাগ অর্থাৎ ২৬৮ কোটি ডিপোজিট করে রাখা হয়েছে। বাকি ৪৬২ কোটি টাকার মধ্যে সরকারী ৩৪ প্রকল্পে ৩৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এনজিওর কোন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থ না পাওয়া গেলেও ক্লাইমেট চেঞ্জ রিজুলেন্স ফান্ডের অর্থ যাতে পাওয়া যায় সে জন্য এনজিওগুলো অনেক আগ থেকেই তৎপর।