আমারহেলথ (৩০ আগস্ট, সোমবার): প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেছেন, দেশে মাছের দূষণ পরীক্ষার জন্য গবেষণাগার ও কারিগরি বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। এ শিল্পকে রক্ষায় গবেষণাগার ও কারিগরি বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হবে।
রোববার সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফুল আলম এবং যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, চিংড়ি শিল্পকে দূষণ থেকে রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত চিংড়ি রপ্তানি নিশ্চিত করতে দেশের অন্যতম চারটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
এ চারটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশন (বিএইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই)।
সেবাদাতা চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ছাড়াও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন মানসম্মত চিংড়ি সেবা গ্রহিতাদের সংগঠন বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতির (বিএফএফইএ) সভাপতি মুসা মিয়া।
এ সময় প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আরো বলেন, দ্বিতীয় বৃহত্তম এ শিল্পকে রক্ষায় এ চারটি প্রতিষ্ঠান একযোগে কাজ করলে এর অভাব কিছুটা হলেও দূর হবে।
|