
|
বন্দর নগরী চট্রগ্রামেও চলছে তীব্র পানির সংকট |
বিগত বছর গুলোতে নগরীর জনসংখ্যা ও শিল্প কারখানা বৃদ্ধির সাথে সাথে পানির চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এর সাথে পানির উত্তোলন বৃদ্ধি না পাওয়ার ফলে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াসা কতৃপক্ষ। বর্তমানে নগরীতে পানির চাহিদা ৫০ কোটি লিটার কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২০ কোটি লিটার। এছাড়াও নগরীর অনেক এলাকা পানির সংযোগ না দেওয়ার কারণে সে সব এলাকাতেও চলছে দূরবস্থা। যেসব এলাকায় সংযোগ নেই সেগুলো হলো- দক্ষিণ বাকলিয়ার একাংশ, দক্ষিণ কাট্টলি, মোহরার অর্ধেকেরও বেশি অংশ, সল্টগোলা ক্রসিং থেকে পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ পাঠানটুলি, মধ্যম হালিশহর, উত্তর হালিশহরসহ আরো অনেক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। প্রকল্পগুলো হল- রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে ১৩ কোটি ৬০ লাখ লিটার উত্তোলন ও পরিশোধন ক্ষমতার কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প, কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপম্যান্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) এর অর্থ সহায়তায় ১০ কোটি লিটারউত্তোলন ও পরিশোধন ক্ষমতার বোয়ালখালীর ভাণ্ডারজুড়ি এলাকায় পানি শোধনাগার কেন্দ্র, সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৯ কোটি লিটার উত্তোলন ও পরিশোধন ক্ষমতার মোহরা পানি শোধনাগার সম্প্রসারণ ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ৪ কোটি লিটার ক্ষমতার মদুনাঘাট পানি শোধনাগার। |
নাজিবুল্লাহ: রাজধানী ঢাকার মত বন্দর নগরী চট্রগ্রামেও চলছে তীব্র পানি সংকট। অনেক এলাকাতেই পানি সপ্তাহে দু এক দিনের বেশি পাওয়া যায় না। পানির এই সংকটের কারণে নগর বাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কবে নাগাদ এ অবস্থার উন্নতি হবে তা বলতে পারছে না ওয়াসা কতৃপক্ষ। তবে তারা বলছে বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থির উন্নয়ন ছাড়া দ্রুত এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। কারণ লোডশেডিং এর কারণে প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে ৫০ লাখ লিটার কম পানি পরিশোধিত হচ্ছে। ফলে চাহিদার অর্ধেকও মেটাতে পারছে না ওয়াসা।
Copyright © 2009 |Amarhealth|