জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

শৈত্য প্রবাহ আরো দু’একদিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা

আমারহেলথ (১৩ জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার):  শীতে কাঁপছে সারা দেশ। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বিদ্যমান শীতের তীব্রতা আরও দু'একদিন স্থায়ী হতে পারে। আগামী শনিবারের মধ্যে দেশের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কিছুটা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবাহওয়াবিদ ফারাহ দিবা বৃহস্পতিবার জানান, সারাদেশে শীতের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগসহ দেশের নদী অববাহিকা সংলগ্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে। তবে ধীরে ধীরে এ অবস্থার উন্নতি হতে পারে। এ মাসের শেষদিকে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা হুমায়ূন কবীর জানান, বৃহসপতিবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী রাজশাহী, দিনাজপুর, পাবনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙামাটি, শ্রীমঙ্গলসহ ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অবশিষ্ট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর বিভাগ ও দেশের নদী অববাহিকা মাঝারি থেকে ঘনকুয়াশায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চল হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশায় ঢেকে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃহসপতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ২৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া চট্রগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৪, রাজশাহীতে ৪ দশমিক ৮, খুলনায় ৮ দশমিক ৫, বরিশালে ৭, সিলেটে ১১ দশমিক ৪ এবং রংপুরে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।