জলবায়ু হুমকি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব আইলা দুর্গতদের সাহায্যের আহ্বান জাতিসংঘের মাত্রাতিরিক্ত নদী দূষণের শিকার ঢাকার অন্তত চারটি নদী

রাজশাহীর মাংসের বাজারে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক

আমারহেলথ(২৮আগস্ট,শনিবার): পাবনা ও সিরাজগঞ্জের অ্যানথ্রাক্স আতঙ্কের ছোঁয়া লেগেছে রাজশাহীর মাংসের বাজারে। অ্যানথ্রাক্স গুজবে গরুর মাংসের বাজারে পড়েছে দারুণ প্রভাব। এছাড়া সম্প্রতি একটি মরা গরু জবাইকালে তিন কসাই আটকের পর অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে গরুর মাংসের বেচাকেনা।
অবশ্য রাজশাহীতে এখনো অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের খবর পাওয়া যায় নি। রাজশাহীতে মাংসের বাজারে স্বাভাবিক ভাবে সকালে গরু জবাইয়ের পর বেলা ১১ টার মধ্যে মাংস শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এখন বিকেল গড়িয়ে গেলেও ক্রেতার অভাবে গরুর মাংস নিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তবে বিক্রি কমলেও দাম কমেনি। আগের মতো প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা দরে। 
রাজশাহী নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার এক মাংস বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পাবনা ও সিরাজগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স ধরা পড়ায় এর প্রভাব পড়েছে গরুর মাংসের বাজারে। তিনি জানান, প্রতি শুক্রবার নগরীর নিউ মার্কেট এলাকায় ১১ টি গরু জবাই হলেও ১১ টার পর আর মাংস মেলেনা। তবে গত শুক্রবার ঘটেছে ব্যতিক্রম। সন্ধ্যাতেও বিক্রি করতে হয়েছে মাংস। শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন হোটেল মালিকদের তারা গছিয়েছেন মাংস। তিনি আরো জানান, অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক ছাড়াও গত মঙ্গলবার রাতে মরা গরু জবাইয়ের ঘটনা জানাজানি হওয়ায় ক্রেতারা গরুর মাংস কেনা অনেক কমিয়ে দিয়েছে। 
এদিকে, বাজারে চাহিদা বেড়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের। সে সুযোগে বিক্রেতারা মাছের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন।
শুক্রবার রাজশাহীর সাহেব বাজার, নিউ মার্কেট, কাদিরগঞ্জ, দড়িখরবোনার মোড়, হেতম খাঁ বড় মসজিদ এলাকা, সাগরপাড়া, শালবাগান বাজার, উপশহর নিউ মার্কেট ও সাহেব বাজার ঘুরে দেখা গেছে সন্ধ্যার পরেও গরুর মাংস নিয়ে ব্যবসায়ীরা ক্রেতার অপেক্ষায় বসে আছেন। 
ষষ্ঠিতলা এলাকার মাংস ব্যবসায়ী বাবলু জানান, প্রত্যেক দিন নিউ মার্কেটের সামনে ১১টার মধ্যে গরুর মাংস বিক্রি শেষ হয় তার। চাহিদা মেটাতে বিকেলে আবার মাংস নিয়ে আসতে হয়। অথচ শুক্রবার ক্রেতার অভাবে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাংস নিয়ে বসেছিলেন তিনি। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে মরা গরু জবাই করতে গিয়ে নগরীতে জনতার হাতে ধরা পড়ে ৩ জন কসাই। সেই সাথে পাবনা ও সিরাজগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স ধরা পড়ায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে গরুর মাংস খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন অনেকে। আর এর প্রভাব পড়েছে গরু মাংসের বাজারে।