
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গত বছরের ২৫ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আইলা। এতে প্রায় ১৭০জন লোক মারা যায়। কয়েক লক্ষ লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ঘূর্ণিঝড়ের পর দীর্ঘ ১১ মাস কেটে গেলেও দুর্গত খুলনা ও সাতক্ষীরার হাজারো মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্দশা শেষ হয়নি।
বুধবার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে নাগরিক সংহতির উদ্যোগে আয়েজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, দুর্গত মানুষের হাতে কাজ নেই, ঘরে খাবার নেই এমনকি বিশুদ্ধ খাবার পানিরও বড় অভাব। এক কলসি পানির জন্য প্রায় ৭-৮কিলোমিটার দূরে যেতে হয়। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার প্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা ও ২ বান্ডিল করে টিন দেয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও দুর্ণীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ ত্রানের উপকারিতা ভোগ করতে পারেনি।
এছাড়া রয়েছে অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষ। এর কারনে সাধারণ সব জমিতে সমুদ্রের লোনাপানি প্রবেশ করার কারনে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। বিভিন্ন সময়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগ এই এলাকাগুলোতে তীব্র কর্মসংস্থানের সংকট সৃষ্টি করেছে। যার কারনে আশেপাশের শহরগুলোতে বাড়ছে জলবায়ু উদ্বাস্তুর সংখ্যা।
আবার তাদের মধ্যে এখনো যারা এলাকা ছেড়ে আসেনি বর্ষা শুরু হলেই এলাকা ছেড়ে চলে আসতে হবে। কারন আইলার কারনে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ কর্তৃপক্ষ এখনো নির্মান করতে সক্ষম হয়নি।
এসব সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিক সংহতি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সুপেয় পানি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, লবন চাষ বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ নির্মানসহ ৫টি দাবি পেশ করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। |