রক্তের বদলে কাজ করে হিমোফার নতুন ওষুধ ডায়াবিনো ওষুধ প্রশাসনের বেহাল দশা

দেশে ও বিদেশে ফার্মাসিস্টদের চাহিদা বাড়ছে

 

 

নাজিবুল্লাহ (২৮ আগস্ট, শনিবার): বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। যা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারের শতকরা ৯৭ ভাগ ঔষধের চাহিদা পূরণ করে চলছে আমাদের দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলো। দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ইউরোপীয় মার্কেট সহ বিশ্বের ৬৫ টি দেশে রপ্তানী হচ্ছে এদেশের ঔষধ । আর একারণে দ্রুতহারে বর্ধিত হচ্ছে এই সেক্টর। আর এভাবে বেড়ে যাচ্ছে ‌‌‌পেশা‌‌‌‌দার ফার্মাসিস্ট এর চাহিদা। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টের ইপ্সিত ভূমিকা’‌‌‌ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত ২৮ আগস্ট শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ফার্মেসী গ্রেজুয়েট এসোসিয়েশন ও স্বাধীনতা ফার্মাসিস্ট পরিষদ এ আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে।
জেমস ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সলিমুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ডাবলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, জীব বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন অধ্যাপক ড. মো; আনোয়ার হোসেন ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমূখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বলেন, ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশে সর্ব প্রথম স্নাতক পর্যায়ে ফার্মেসী শিক্ষা চালু হয়। ফার্মেসী ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে এক নতুন ধারার পেশাভিত্তিক শিক্ষার যুগোপযোগী বিষয়ের আর্বিভাব ঘটে। পরবর্তীতে ফার্মেসী বিভাগ তিনটি বিভাগে বিভক্ত হয় এবং গড়ে উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসী অনুষদ। বর্তমানে ফার্মাসিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারা অনেক সম্মানের বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ফার্মাসিস্টরা ঔষধ গবেষণা, প্রস্তুত, মান নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, বিপনন সহ বিবিধ কাজে নিয়োজিত থেকে দেশ, জাতি ও মানবতার সেবা করে যাচ্ছে।

আগের পাতা