রক্তের বদলে কাজ করে হিমোফার নতুন ওষুধ ডায়াবিনো ওষুধ প্রশাসনের বেহাল দশা

ম্যালেরিয়ার নতুন ভ্যাকসিন

১ ৯৫১ সালেই আমেরিকা থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায় ম্যালেরিয়া। কিন্তু তাতে কি? আফ্রিকাতে প্রতি বছর মারা যায় প্রায় ১০ লাখ শিশু। এদের সবারই বয়স ৫ বছরের নিচে। অর্থ্যাৎ প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একটি করে শিশু মারা যাচ্ছে। পরিসংখ্যান বলে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই আছে এই ঝুঁকির মধ্যে। যে কোন সময় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে এ রোগে। এই রোগের চিকিৎসা করাও বেশ ঝামেলার ব্যাপার।

কিন্তু সম্প্রতি আশার বানী শোনাচ্ছে জন হোপকিনস বোমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথ ও সেবেইন ভেকসিন ইনস্টিটিউট। তারা তৈরি করেছে ম্যালেরিয়ার একটি নতুন ভ্যাকসিন। নাম দেয়া হয়েছে ট্রান্সমিশন-ব্লকিং ভ্যাকসিন (টিবিভি)। এর লক্ষ্য শুধুমাত্র জীবাণুদের বিরুদ্ধে লড়াই করা নয়। সেই সঙ্গে এ রোগবাহী মশাকেও নির্মূল করে দেয়া। তাদের প্রয়োজনীয় সব খরচ চালাচ্ছে বিল এন্ড ম্যালিঙ্গা গেটস ফাউন্ডেশন। গতানুগতিক ম্যালেরিয়ার ওষুধের মতই এটি শরীরে ম্যালেরিয়ার জীবাণু দুর্বল বা ধ্বংস করে। তারপর মানুষের শরীরে এন্টিবডি উৎপন্ন করে। উৎপন্ন এন্টিবডি শুধু শরীরকে রক্ষাই করেনা। ধ্বংস করে দেয় মশাকেও। জিন হপকিন্স হাসপাতালের চিকিৎসক রোহেল ডিংলাসান এএনআপিএন১-নামে একটি এন্টিজেন তৈরি করেন। সবচে মজার ব্যাপার এ এন্টিজেন সবচে বেশি পাওয়া যায় ম্যালেরিয়াবাহী মশার শরীরে। এএনআপিএন১ মানুষের শরীরে গিয়ে এমন সব এন্টিবডি তৈরি করবে যা জীবাণু ধ্বংস তো করবেই সে সঙ্গে নতুন জীবাণু প্রবেশও ঠেকাবে।

কোন ম্যালেরিয়া বাহী মশা এন্টিজেন দেয়া কোন মানুষকে কামড় দিলে মশার শরীরে সেই এন্টিবডি চলে যায়। যা মশাক দেহের অভ্যন্তরে গিয়ে সে মশাকে মেরে ফেলার উপরি কাজ করে। ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিস্কার এই প্রথমই নয়। তবে এর আগে কোনবারই ম্যালেরিয়ার ওষুধ দিয়ে মশা মারা যায়নি। তথ্যসূত্র: টাইম ম্যাগাজিন

আগের পাতা