রক্তের বদলে কাজ করে হিমোফার নতুন ওষুধ ডায়াবিনো ওষুধ প্রশাসনের বেহাল দশা

জলাতঙ্কে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যু বরণ করে

 

 

আমারহেলথ (২৭জুলাই, মঙ্গলবার): অত্যাধুনিক সেলক্যালচার নামে নতুন ভ্যাকসিন জলাতঙ্ক রোগীর ত্বকের মধ্যে প্রয়োগ চালু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ বর্তমানে অনেকটা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালকেন্দ্রিক। পরবর্তীতে সারাদেশে এর প্রয়োগ বিস্তৃত করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু শতভাগ নিশ্চিত। ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেও অনেক ক্ষেত্রে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ সম্ভব হয় না। কিন্তু আক্রান্ত হবার সঙ্গে সঙ্গে সঠিকভাবে চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করলে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, ডা. জগদীশ চন্দ্র ঘোষ, ডা. এস এম এমরাম আলী, অধ্যাপক একেএম শামসুজ্জামান, ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ডা. বারী উল ইসলাম প্রমুখ।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, জলাতঙ্ক একটি ভয়ঙ্কর সংক্রামক ব্যাধি ও জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে ৫৫ হাজারের বেশি লোক এ রোগে মারা যায়। অর্থাৎ প্রতি ১০ মিনিটে ১ জন রোগী মারা যায়। এ রোগ সাধারণত ১৫ বছরের নিচে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয় এবং শতকরা ৯০ ভাগ আক্রান্ত হয় কুকুরের কামড়ে। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২ হাজারের বেশি রোগী এ রোগে মারা যায়, যাদের শতকরা ৮৫ ভাগই গ্রামের। প্রতি বছর ১ লাখের বেশি লোক কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন হন। চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে পারে না এমন রোগীর সংখ্যাও অনেক। কেউ কেউ অপচিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করে থাকে।

আগের পাতা