
ইনসুলিন ইউনিট চালু করলো স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস |
বর্তমান বিশ্বে জীবানুমুক্ত ফার্মসিউটিকেলস ও বায়োটেকনোলজি পন্য উৎপাদনের এটিই সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। এই ইনসুলিন ইউনিটে সম্পূর্ন বিশুদ্ধ রিকম্বিনেন্ট হিউম্যান ইনসুলিন ক্রিস্টাল থেকে বিভিন্ন ধরণের ইনসুলিন, যেমন- ক্ষনস্থায়ী, মধ্যম ও দীর্ঘ স্থায়ী ইনসুলিন প্রস্তুত করা হয়। এই ইনসুলিন ইউনিটটি স্পেনের টেলেস্টার এসএ নামক বিশ্ব বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ও ইউরোপিয়ান যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে গঠিত। উদ্বোধনের পর সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নওয়াবুর রহমান জানান, ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মডুলার এসেপটিক কমপেক্ট’ (এমএসি) বিশ্বমানের এ ইনসুলিন ইউনিটটি বাংলাদেশে নতুন একটি ধারার সৃষ্টি হয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্য সাশ্রয়ী মূল্যে বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিশ্বমানের ইনসুলিন পৌঁছে দেয়া এবং বিদেশে ইনসুলিন রফতানির পথকে প্রশস্ত করা। ইনসেপ্টা ও পপুলারের পর তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে ইনসুলিন উৎপাদন শুরু করে স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যালস। অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারখানার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইনসুলিনের দাম সাধারণ জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য স্কয়ারের প্রতি আহ্বান জানান। উদ্বোধনোত্তর এ সময় ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা, কারখানার কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ, চিকিত্সক, বিভিন্ন সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত বছর নভেম্বর থেকে ইনসুলিন উৎপাদন শুরু হয়। |
আগের পাতা |
৩ মে, আমার হেলথ: দেশে প্রথম বারের মত অত্যাধুনিক মডুলার এসেপটিক কমপ্যাক্ট সিস্টেমে ইনসুলিন প্রস্তুত শুরু করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মসিউটিক্যালস। ২৮ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী আধ্যাপক আ.ফ.ম রুহুল হক ফিতা কেটে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত ইনসুলিন ইউনিটের উদ্বোধন করেন। ইউনাইটেড স্টেটস ফুড এন্ড ড্রাগ এডেমিনিষ্ট্রেশন ও ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি কারেন্ট গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাকটিস এর অনুসরণে নির্মিত হয়েছে এ ইনসুলিন ইউনিট।
Copyright © 2009 |Amarhealth|