রক্তের বদলে কাজ করে হিমোফার নতুন ওষুধ ডায়াবিনো ওষুধ প্রশাসনের বেহাল দশা

ওষুধের মান নির্ণয় ব্যবস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানে উন্নীত করা হবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

 

আমারহেলথ (২৯ মার্চ, মঙ্গলবার): ভেজাল ওষুধ বিক্রি বন্ধে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চাইলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক। 
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের সমিতি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএপিআই) ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে ওষুধের মান নির্ণয়ের ব্যবস্থা শিগগিরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানে উন্নীত করা হবে। ‘এতে ওষুধ খাতে রপ্তানি বাড়ানোও সম্ভব হবে।’
তবে তার আগে ভেজাল ওষুধ তৈরি ও বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, তা না হলে দেশের বাজারেই ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। 
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব নয় জানিয়ে এ ব্যাপারে বিএপিআইয়ের সহযোগিতা চান রুহুল হক। ‘তাদের (ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারকদের) ঠেকানো গেলে আমরা সবাই লাভবান হবো।’
বাংলাদেশে ঠিক কি পরিমাণ ভেজাল ওষুধ তৈরি বা বিক্রি হয় তার কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ভেজাল ও নিুমানের ওষুধ আটক করে। 
বিএপিআই সভাপতি সালমান এফ রহমান বলেন, দেশে ওষুধের চাহিদার ৯৭ শতাংশ স্থানীয় কোম্পানিগুলোই মেটায়। তিনি বলেন, ‘আমদানিকারকদের আস্থা অর্জন করা গেলে বিপুল পরিমাণ ওষুধ রপ্তানির সুযোগও আমাদের রয়েছে।’ আর এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কার্যকর করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। 
সালমান এফ রহমান বলেন, ‘ক্রেতাদের আস্থার বিষয়টি কেবল ওষুধের মানের ওপর নির্ভরশীল নয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থার পেশাদারিত্বও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।’ ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক আবুল কামাল আজাদ জানান, অধিদপ্তরকে পুরোপুরি সচল করতে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে লোক নিয়োগের কাজ শেষ হবে। 
বিএপিআই মহাসচিব আবদুল মুক্তাদির বলেন, ২০১০ সালে দেশীয় বাজারে ওষুধসহ ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যের বিক্রির পরিমাণ একশ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৯ সালের তুলনায় এই খাতে প্রবৃদ্ধির হয়েছে ২৩ শতাংশ। এ খাতের আন্তর্জাতিক বাজার ধরার জন্য এখনই উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আগের পাতা