৮ এপ্রিল(আমার হেলথ): বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা গত ৭ এপ্রিল বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ঘোষিত ‘এক হাজার শহর’ রক্ষার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের বেশি এই শহরগুলোতে বাস করে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে এই শহরগুলোতে বিশেষ কতগুলো স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। সেগুলো মোকাবিলার জন্যই এই দীর্ঘ কর্মসূচি হাতে নিয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০১০ উপলক্ষে জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ এক বৈঠকে এ কথা জানানো হয়।
বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহরে খোলা জায়গা বাড়ানো, রাস্তার কিছু অংশে যানচলাচল বন্ধ করা, পার্কে শরীরচর্চা উৎসাহিত করা এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান। আগামী কয়েক দশকে বিশ্বের ঘনবসতিপূর্ণ ও দূষিত শহরগুলোতেই জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ডব্লিউএইচও। আবার কিছু উন্নত শহরেও জনসংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটতে পারে। এর ফলে ওই সব অঞ্চলে বিশেষ কতকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বিশেষ তিন ধরনের সমস্যাকে চিহ্নিত করেছে ডব্লিউএইচও। এর মধ্যে রয়েছে দারিদ্র্যের কারণে ছড়ানো সংক্রামক ব্যাধি, হৃদরোগ, ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগ। দুর্ঘটনা বা সহিংসতার কারণে পাওয়া আঘাতকেও বড় ধরনের সমস্যা মনে করা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক মার্গারেট চ্যান বলেন, ‘দুর্বল স্বাস্থ্য শহরাঞ্চলের সবচেয়ে দৃশ্যমান এবং পরিমাপযোগ্য একটি সমস্যা।’
এগুলো মোকাবিলা করার জন্য ডব্লিউএইচও গত ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস থেকে পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত এক হাজার শহর রক্ষার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
কর্মসূচির অন্যতম কর্মকর্তা লোরি স্লোয়েট বলেন, শহরগুলোর পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করতে পারার মতো বৈশ্বিক একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা খুব প্রয়োজন এবং এর জন্য যথেষ্ট সময়ও রয়েছে।
সূত্র : এএফপি
|