দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যালস আমার বিনোদন বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার

বাপা, সুপ্র ও সিডিপি আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা

‘সুশীল সমাজ ও এনজিও এক জিনিস নয়’

সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনের(সিএসও) শক্তি হচ্ছে সমাজ। সমাজ উন্নয়নে এই শ্রেণীর অবদান ৭০ শতাংশের বেশি। সিএসও যত প্রাণবন্ত হয় সমাজ তত গতিশীল হয়। এরা এনজিও সংস্থার মত অন্য কারো অর্থের আশা করে না। অন্যদিকে এনজিওর একমাত্র শক্তি দাতাসংস্থা। এদের ইতিহাস বেশি দিনের নয়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা), সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান(সুপ্র), কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ(সিডিপি) ও ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ যৌথভাবে আয়োজিত ‘উন্নয়ন কার্যকারিতায় সুশীল সমাজের ভূমিকা কি এবং কিভাবে: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের(টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ। তিনি বলেন, সিভিল সোসাইটি এবং এনজিওর মধ্যে পার্থক্যটা গুলিয়ে গেছে। সিএসওর শক্তিটা সমাজনির্ভর ও এনজিওর শক্তিটা দাতানির্ভর। সুশীল সমাজ ও এনজিও এক জিনিস নয়।
এনজিও ব্যুরোর পরিচালক মোস্তাক হাসান মোহাম্মদ বলেন, হবে, যাতে তাদের ব্যাপারে সরকারের ভুল বোঝাবুঝি কিংবা কোনো ধরনের সন্দেহের অবতারণা না হয়।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, ‘বিগত সময়ে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে।’ এনজিওগুলোর তথ্য অবাধ এবং স্বচ্ছ করতে সুশাসনের জন্য নাগরিকের(সুজন) নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘এনজিওদের মধ্যে অনেক বিভক্তি আছে, কিন্তু স্পষ্ট করা উচিত তারা মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে কিনা। অন্যদিকে সিভিল সোসাইটির কাজ হচ্ছে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’ 
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম, বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, কর্মজীবী নারীর সভাপতি শিরিন আখতার, মহিলা আইনজীবী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী, স্টেপস টুয়ার্ডসের নির্বাহী পরিচালক রঞ্জন কর্মকার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের(বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডা. আবদুল মতিন। এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি রেজাউল করিম চৌধুরী।