জাফর সাদেক শিবলী
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনগণকে বিভিন্ন দিক থেকে সচেতন করতে প্রতিবছর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল(ইউএনএফপিএ)ভিন্ন থিম নির্ধারণ করে।
এবারের শ্লোগান হচ্ছে- ‘প্রত্যেক ব্যাক্তি গণনার অন্তর্ভূক্ত’।
সংস্থাটির মতে- উন্নয়নের জন্য ডাটা প্রয়োজন। যে কারনে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল এবারের জনসংখ্যা দিবসে জনসংখ্যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের উপর খুব বেশি জোর দিয়েছে। এবং এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।
দিবসটি পালনের মূল লক্ষ হচ্ছে- পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গ সমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
ইউএনডিপি প্রতিদিনই বিশ্বের জনসংখ্যার হিসেব অন্তর্ভূক্ত করে। গত ৫ জুনের হিসেব অনুযায়ী বিশ্বের জনসংখ্যা বর্তমানে ৬ শ’কোটি ৮২ লক্ষ ৫৩ হাজার। সংস্থাটির মতে ২০১২ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৭ বিলিয়ন।
পরিসংখ্যান মতে, গত ৫০ বছরে বিশ্বের জনসংখ্যা দ্বিগুনের বেশি হয়েছে বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ৬.২ বিলিয়ন। এ অনুযায়ী পৃথিবীতে আগামী ৪৭ বছরে আরো ২.৬ বিলিয়ন জনসংখ্যা বাড়বে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের পরিসংখ্যানে আরো জানা যায়, ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৯ বিলিয়ন ও ২১৫০ সালের মধ্যে ১১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।
তবে জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বিশ্বের জনসংখ্যা ১১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার পর একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে আসবে।
১৯৬০-১৯৭০ এর দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শতকরা ২.১ ভাগ। যা ২০০৫-২০১০ সালে শতকরা ১.৩ ভাগে নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর (ইউএনডিপি) পরিচালনা পরিষদে দিবসটি ১৯৮৯ থেকে নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে। এর আগে ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫ বিলিয়ন পূর্ণ হলে বিশ্বজনসংখ্যা দিবস পালন করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
|