দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যালস আমার বিনোদন বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার

জনসংখ্যা দিবস-২০১০
তথ্য উপাত্তের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইউএনএফপিএ

জাফর সাদেক শিবলী
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনগণকে বিভিন্ন দিক থেকে সচেতন করতে প্রতিবছর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল(ইউএনএফপিএ)ভিন্ন থিম নির্ধারণ করে।
এবারের শ্লোগান হচ্ছে- ‘প্রত্যেক ব্যাক্তি গণনার অন্তর্ভূক্ত’।
সংস্থাটির মতে- উন্নয়নের জন্য ডাটা প্রয়োজন। যে কারনে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল এবারের জনসংখ্যা দিবসে জনসংখ্যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের উপর খুব বেশি জোর দিয়েছে। এবং এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।
দিবসটি পালনের মূল লক্ষ হচ্ছে- পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গ সমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা।
ইউএনডিপি প্রতিদিনই বিশ্বের জনসংখ্যার হিসেব অন্তর্ভূক্ত করে। গত ৫ জুনের হিসেব অনুযায়ী বিশ্বের জনসংখ্যা বর্তমানে ৬ শ’কোটি ৮২ লক্ষ ৫৩ হাজার। সংস্থাটির মতে ২০১২ সালে পৃথিবীর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৭ বিলিয়ন।
পরিসংখ্যান মতে, গত ৫০ বছরে বিশ্বের জনসংখ্যা দ্বিগুনের বেশি হয়েছে বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ৬.২ বিলিয়ন। এ অনুযায়ী পৃথিবীতে আগামী ৪৭ বছরে আরো ২.৬ বিলিয়ন জনসংখ্যা বাড়বে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের পরিসংখ্যানে আরো জানা যায়, ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৯ বিলিয়ন ও ২১৫০ সালের মধ্যে ১১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। 
তবে জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বিশ্বের জনসংখ্যা ১১ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার পর একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে আসবে।
১৯৬০-১৯৭০ এর দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শতকরা ২.১ ভাগ। যা ২০০৫-২০১০ সালে শতকরা ১.৩ ভাগে নেমে এসেছে।
উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর (ইউএনডিপি) পরিচালনা পরিষদে দিবসটি ১৯৮৯ থেকে নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে। এর আগে ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্বের জনসংখ্যা ৫ বিলিয়ন পূর্ণ হলে বিশ্বজনসংখ্যা দিবস পালন করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।