আমারহেলথ (২১জুলাই, বুধবার): ২০১১ সালের মার্চে শুরু হবে বাংলাদেশের পঞ্চম আদমশুমারি। ডিজিটাল পদ্ধতির এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো গণনা মানচিত্র ও জিও-কোডিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এতে সারা দেশের প্রতিটি মৌজা ও ইউনিয়নের ধারণ করা এরিয়াল ফটোগ্রাফ থেকে নির্মিত ৭০ হাজার ম্যাপ ব্যবহার করা হবে।
সোমবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. শাহজাহান আলী মোল্লা এ কথা জানান। খবর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর।
মহাপরিচালক মো. শাহজাহান আলী মোল্লা বলেন, আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠেয় পাঁচ দিনব্যাপী আদমশুমারির জন্য প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। তিনি বলেন, শুমারি পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে তিন লাখ ৩০ হাজার গণনা এলাকায় ভাগ করা হবে। এর প্রতিটিতে প্রায় ১২০টি বাড়ি থাকবে। এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন দুই হাজার ৭০০ জন আঞ্চলিক কর্মকর্তা, ৫৩০ জন উপজেলা অথবা থানা সমন্বয়ক, ১২০ জন জেলা, ৩৫ জন আঞ্চলিক এবং ১০ জন বিভাগীয় সমন্বয়ক।
তিন দফায় এই শুমারি অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমত, দেশের সব পরিবার এবং জনসংখ্যার মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলো সংগ্রহ করা হবে। দ্বিতীয়ত, মূল শুমারিতে ভুলভ্রান্তি নির্ধারণে গণনা-উত্তর মান যাচাই করা হবে। তৃতীয়ত, মূল শুমারিতে পরিপূরক হিসেবে বিস্তারিত আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যসংক্রান্ত ব্যাপারে প্রশ্নসহ প্রায় এক শতাংশ পরিবার থেকে উপাত্তের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
|