১৯৫৮ সালে দেশের আর্থ সামাজিক ও আধ্যাত্নিক জীবন উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঢাকা আহসানিয়া মিশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষ কোন গ্রুপকে টার্গেট করে আহসানিয়া মিশন কাজ করে থাকে। কাজের মূল লক্ষ হলো স্বাস্থ্য-মানবাধিকার, শিক্ষা, জীবনজীবিকা ও সামাজিক ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠা। আহসানিয়া মিশনের সকল কাজের মূলনীতি হলো-‘Divine and Humanitarian Services’। যা তাদেরকে বিভিন্ন কাজ করা সহজ করে দেয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ফ্রান্সের বিভিন্ন সংস্থা এবং বিশ্বব্যাংক, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, ইউএনডিপি, ডব্লিউএফপিএ সহ দেশ বিদেশের বহু সংস্থা আহসানিয়া মিশনের উন্নয়ন সহযোগী। যার কারনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতাবৃদ্ধি, টেকনোলজি, এইডস, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটারি, ক্যান্সার, মানবাধিকার এবং মাদকাসক্তি হ্রাস সহ বিভিন্ন জনকল্যানমূলক কাজে আহসানিয়া মিশন বেশ সফলতার পাল্লা বেশ ভারি। দুস্থদের সহায়তায় জুলাই’০৭ থেকে ’গণকেন্দ্র’ নামের প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। যেখানে স্বাস্থ্য সচেতনতা, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও মাতৃ-শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় যাবতীয় সেবা প্রদান করা হয়।
দেশে প্রতি বছর দেড় লক্ষাধিক মানুষ ক্যান্সারে মৃত্যু বরণ করে। এই বিপুল পরিমান ক্যান্সার জনিত মৃত্যু হ্রাস ও আক্রান্তদের সুচিকিৎসার জন্য মিরপুরে ১৪তে ১৫তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে। দেশ-বিদেশী বিভিন্ন দাতা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ও গণমানুষের অর্থায়নে হাসপাতালটি তৈরী করা হচ্ছে। যেখানে শতকরা ৩০ভাগ অতিদরিদ্র ক্যান্সার রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে।
হতদরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদানে আহসানিয়া মিশন একটি দাতব্য তহবিল গঠন করেছে। এতে যাকাতসহ বিভিন্ন উৎসের দান গ্রহণ করা হয়। এ দান অসুস্থতা, উদ্বাস্তু সমস্যা, দরিদ্রদের গৃহ নির্মান ও শিক্ষাখাতে ব্যায় করে ঢাকা আহসানিয়া মিশন। |