আমারহেলথ (২৭ফেব্রুয়ারী, রবিবার): কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
পোশাক শিল্পে কর্মরত নারীদের প্রতি মাসে ৩৫০ টাকা করে মাতৃত্বকালীন এ ভাতা দেয়া হবে।
রোববার দুপুরে বিজিএমইএ অডিটোরিয়ামে কর্মজীবী ল্যাকটেটিং ওয়ার্কিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচি বাস্তবায়নে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বিজিএমইএর সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত সচিব তারিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আশরাফ হোসেন, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সহ-সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এবং বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ'র নেতৃবৃন্দ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের জন্য ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়িয়ে নির্মাণ শ্রমিকসহ অন্যান্য পেশার মায়েদেরও এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। ২০১০-১১ অর্থবছরে এ প্রকল্পের মোট ৬৭ হাজার ৫শ জন মাকে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করা হবে। এ কার্যক্রম শুরু হবে জুলাই মাস থেকে। এর মাধ্যমে শুধু নারী নয় শিশুও উপকৃত হবে। এই সহায়তা শহরের পোশাক শিল্পের নারীদের দিয়ে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে গ্রামাঞ্চলে সম্প্রসারণ করা হবেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তিনি চান এদেশের নারীরা স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হোক ।
আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, পোশাক শিল্পের ৩৫ লাখ শ্রমিকের প্রায় ৮০ শতাংশই নারী। তাই পোশাক শিল্পের এ প্রকল্পের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ শিল্পের শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়া ৮০'র দশকে গড়ে উঠা শিল্প, কল কারখানা ঢাকার বাইরে স্থানান্তর ও বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার দাবি জানান বিজিএমইএ'র সভাপতি।
|