মাস-লাইন মিডিয়া সেন্টার(এমএমসি)বা গণযোগাযোগ কেন্দ্র, একটি কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। যা তথ্য অধিকার ও উন্নয়নখাতে ১৯৯৫ সালে কাজ শুরু করে। বিশেষত সাংবাদিকতা পেশার মাধ্যমে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উন্নয়নে কাজ করে গণযোগাযোগ কেন্দ্রটি। সংস্থাটির কাজের অন্যান্য বিশেষ দিকের মধ্যে রয়েছে তথ্য অধিকার সংরক্ষণ, মতামতের স্বাধীণতা ও মিডিয়ায় অবাধ তথ্য প্রবাহ।
২০০৬ সালে এমএমসি উপকূলীয় ১০টি জেলায় ‘জনগনের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উন্নয়নে স্থানীয় সংবাদপত্রের শক্তিশালীকরন’ শীর্ষক কর্মসূচী শুরু করে। এরপর ধীরে ধীরে সারাদেশব্যাপী জনগনের অবাধ তথ্য প্রবাহে সংযুক্ত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে এমএমসি।
স্থানীয় সাংবাদিক, সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধি ও স্থানীয় এনজিওগুলোর সমন্বয়ে গ্রামের অসহায় মানুষের তথ্য অধিকার নিয়ে কাজ করে এমএমসি।
সংস্থাটির ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা হলো সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, তাদেরকে প্রচুর তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা, গণমানুষের কল্যাণে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাহায্যে কাজ করে যাওয়া।
ইতোমধ্যে গণমানুষ কেন্দ্র গ্রামের স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ও সাংবাদিকদের জীবন মান উন্নয়নে বেশ সফলতা পেয়েছে।
ধর্ম, জাতীয়তা, লিঙ্গ, নির্বিশেষে সব মানুষের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি নিযে কাজ করা এমএমসির অন্যতম লক্ষ।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা যেমন-সিডা, ডানিডা, ইউনিসেফ, মানুষের জন্য, ইউনেসকো, ইউএনএফপিএ সহ বেশ কয়েকটি সংস্থার সহযোগিতায় কাজ করে গণমানুষের কেন্দ্র। |