আমারহেলথ (০৪ অক্টোবর, সোমবার): পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৮ হাজার ৫শ ১৭টি পদ শূন্য আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম. রুহুল হক।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পক্ষে তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এ প্রসঙ্গে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের শূন্য পদ পূরণের জন্য ইতোমধ্যে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হতে ২ হাজার ৬শ ৭৬টি শূন্য পদ পূরণের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। এর প্রেক্ষিতে ৯০টি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং ১২০টি সহকারী উজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য কর্ম কমিশনকে জানানো হয়েছে।
সংসদ সদস্য মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়ার তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ৩২ শয্যা বিশিষ্ট প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র সমূহে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে মোট ১১ লাখ ১৬ হাজার টাকার ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। যদিও এক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধ রয়েছে।
সংসদ সদস্য এডভোকেট তারানা হালিমের তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে-২০০৭ অনুযায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণে খাবার বড়ি গ্রহীতার সংখ্যা ২৮.৫%, কনডম ৪.৫%, ইনজেকশন ৭% আইইউডি ০.৯%, পুরুষ বন্ধ্যাকরণ ০.৭% মহিলা বন্ধ্যাকরণ ৫% এবং ইমপ্ল্যান্ট ০.৭% এ উন্নীত হয়েছে। একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সফলভাবে এগুচ্ছে। বিবিএস ২০০৬ অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৪১। ২০০৪ সালে যা ছিলো ১.৪৩, ২০০১-এ ১.৫, ১৯৯১-এ ২.২ এবং ১৯৮১ সালে ২.৪। সেই সাথে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বৃদ্ধির জন্য সরকার ৬০টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের শয্যা সংখ্যা ১০ থেকে ২০-এ উন্নীত করা হয়েছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান বাংলাদেশ সরকার ডায়াবেটিক এবং হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয় না।
|