দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যালস আমার বিনোদন বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার

কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের প্রশিক্ষণ সহায়িকা চূড়ান্ত

আমারহেলথ (২৪ ফেব্রুয়ারী, বুধবার): কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের প্রশিক্ষণ সহায়িকা চূড়ান্ত হচ্ছে মঙ্গলবার। নিয়োগ কার্যক্রম সমাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাড়ে ১৩ হাজার হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারকে চিকিৎসাসেবা দানে দক্ষ করে তোলার জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নিয়োগপ্রাপ্তদের ৬ সপ্তাহ ব্যবহারিক ও ৬ সপ্তাহ বাস্তবজ্ঞান দানের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সাধারণ চিকিৎসা বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক সম্পর্কে হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের প্রশিক্ষিত করে তোলা হবে। এতে সাধারণ রোগের চিকিৎসার জন্য রোগীদের আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছে দৌড়াতে হবে না। হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের দ্বারাই অনেক সাধারণ রোগের চিকিৎসাসেবা দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। 
এ বিষয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রজেক্টের পরিচালক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা. মাখদুমা নার্গিস জানান, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারদের সাধারণ চিকিৎসা সম্পর্কে দক্ষ করে তোলার জন্য ‘প্রশিক্ষণ সহায়িকা’ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। দেড় বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। ওই দেড় বছরে বিষয়টিকে ভিত্তি করে ৫০টির বেশি কর্মশালা ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতাগোষ্ঠী, স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের মতামত নেয়া হয়েছে। বেসিক সায়েন্স, মা ও নবজাতক, উপসর্গমূলক রোগসহ সব ধরনের সাধারণ রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকবে প্রশিক্ষণ সহায়িকায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা আট বছর পর ২০০৯ বছরের জুন থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রজেক্ট আকারে চালু হয়। এর আওতায় আরও ১০০ কমিউনিটি ক্লিনিকের অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছে। আগামী বছর আরও ১৫০০ ক্লিনিকের ভবন নির্মাণ করা হবে। সব মিলিয়ে ২০১৪ সালের মধ্যে সাড়ে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের (এইচপিএনএসপি) আওতায় ২০০১ সালে এ প্রকল্পে ১০ হাজার ৭২৩টি ক্লিনিক ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়। একই বছর ৮ হাজার ক্লিনিক প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করে। 
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা. মাখদুমা নার্গিসকে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রজেক্টের দায়িত্ব দেয়া হয়। এ প্রজেক্টের অধীনে দেশের সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন ও উপজেলায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। জানা যায়, এসব ক্লিনিকে সাধারণ জনগণ তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা পাবে। একজন স্বাস্থ্য সহকারী, একজন পরিবার পরিকল্পনা সহকারী এবং নতুন করে জনবল কাঠামোয় যোগ হওয়া একজন হেলথ প্রোভাইডারও থাকবে। যে কোন কাটা-ছেঁড়ার চিকিৎসা, পেটের ব্যথা, জ্বর, আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক, কানের অসুখ, টিকা দেয়া, মহিলাদের গর্ভাবস্থায় চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোয়। বিনা পয়সায় সাধারণ জনগণ এ চিকিৎসা পাবে।