০৭জুন, আমারহেলথ, প্রতি বছর দেশে লাখে ১৬৭ জন নতুনভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এ অবস্থা অপরিবর্তনীয় থাকলে ২৫ বছরে এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে দেশের এক-তৃতীয়াংশ ক্যান্সার সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায়। এজন্য অভিভাবকদের সচেতনত হওয়া দরকার। একই সাথে দৈনন্দিন জীবনে শৃংঙ্খলিত কাজকর্ম ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের দ্বারা এই ঘাতক ব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
রোববার বিশ্ব ক্যান্সার সার্ভাইভরস দিবস উপলক্ষে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা আরো বলেন, তামাকের মত বিষাক্ত দ্রব্য এখনো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উৎপাদন করা হয়। যা জনস্বাস্থ্যের প্রতি মারাত্নক হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। তামাকজাত দ্রব্য পরিহারে সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই।
ঢাকা আহসানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান।
তিনি বলেন, ক্যান্সার একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি। প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগ শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা যায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এ সম্পর্কিত প্রচার প্রচারণা জোরদার করা প্রয়োজন।
আইএআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে ক্যান্সারে মৃত্যুহার মোট আক্রান্তের সাড়ে সাত শতাংশ হলেও আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ এ হার ১৩ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে কাজী রফিকুল আলম বলেন, চিকিৎসার পর ক্যান্সার আক্রান্তরা সক্রিয়ভাবে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখতে পারেন।
অনুষ্ঠানে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা গুলো তুলে ধরেন।
|