দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যালস আমার বিনোদন বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার

সেমিনারে বক্তারা

অটিজম প্রতিরোধে সচেতন হতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার: সার্বিক সুযোগ সুবিধা ও সচেতনতার অভাবে অটিজম চিহ্নিত হতে দেরি হয়। যার কারনে যথাযথ সময়ে এই রোগের বিরু্দ্ধে প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়না। গ্রামের শিক্ষিত-অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী, এমনকি শহরে যারা থাকে তারাও এ ব্যাপারে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন না। অটিস্টিক শিশুদের অবিভাবকরা কখনো কখনো শিশুর এরকম আচরণকে অস্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেয়। এ ধরনের কোন রোগ আছে সেটা তাদের শতকরা ৯৬ভাগই জানেনা। তারা মনে করে এটা তাদের কোন অভিশাপের ফসল। অথচ সব অটিস্টিক শিশুদের সঠিকভাবে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিলে কর্মজীবনে তারা মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারবে।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১০ উপলক্ষে শনিবার বেলা ১১ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের গ্যালারী-১ এ আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ড. কাজী দীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এস আকবর।
ড. কাজী দীন মোহাম্মদ বলেন, এসব শিশুদের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য মূলধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দিষ্ট পরিমান আসন বরাদ্ধ রাখা দরকার। এতে করে অন্যদের সাথে এসব শিশুরাও এগিয়ে আসবে।
বক্তারা আরো বলেন, অটিস্টিক শিশুদের আমরা অসুস্থ বলা উচিত নয়। অটিজম হলো একধরনের মানসিক সমস্যা। অসুস্থতা আর মানসিক সমস্যা এক জিনিস নয়।
বক্তব্য শুরুর আগে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১০ এর উপর রচনা প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। এতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ সহ প্রায় ২০টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগীরা অংশ নেন।
অন্যান্যের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. হান্নান সরকার সহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র শিক্ষক ও এনজিও কর্মকর্তারা।