দেশের সব খবর আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যালস আমার বিনোদন বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার

১৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে শুমারি শুরু

আমারহেলথ (০২মার্চ, বুধবার): এক দশক পর দেশে জনসংখ্যা ও বাসাবাড়ির তথ্য হালনাগাদ করতে শুমারি পরিচালনপ্রক্রিয়ায় বেশ কিছু নতুনত্ব এনেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহ গণনা থেকে প্রাপ্ত প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য প্রথমবারের মতো আলাদাভাবে সংরক্ষণ করবে বিবিএস। এ জন্য প্রত্যেক নাগরিককে একটি নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হবে। এ নন্বর ব্যবহার করে তারা তাদের তথ্য যেকোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও বিভাগ তাদের প্রয়োজনে এ তথ্য কাজে লাগাতে পারবে। এবারই প্রথম নির্ভুল ও মানসম্পন্ন তথ্য সংগ্রহে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। নিখুঁতভাবে তথ্য পেতে এরই মধ্যে ৭০ হাজার জিআইএস ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ডাটা প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য কম্পিউটারাইজড 'জিও কোডিং সিস্টেম' ব্যবহার করা হবে। এসব তথ্য জানান বিবিএসের মহাপরিচালক শাহজাহান আলী মোল্লা।
পঞ্চম আদমশুমারি শুরু করতে বিবিএসের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, এখন কর্মীদের প্রশিক্ষণ, প্রচারণাসহ অন্য আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। আগামী ১৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে শুমারি ও গৃহ গণনা কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ১৯ তারিখ পর্যন্ত। ১৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে ১৫ তারিখ সকাল ৬টা পর্যন্ত ভাসমান মানুষ গণনার মধ্য দিয়ে শুমারির কার্যক্রম শুরু হবে। ঘরে ঘরে গিয়ে গণনার কাজ চলবে ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। এ কার্যক্রম সফল করতে গত সোমবার থেকে ১৫ দিনের ক্ষণ গণনা শুরু করেছে বিবিএস।
বিবিএস মহাপরিচালক জানান, স্বল্পতম সময়ে শুমারির ফল জানতে আন্তর্জাতিক মানের সফটওয়্যারও ব্যবহার করা হবে। আর শুমারিতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রচলিত সব ধরনের প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রায় ছয় কোটি গ্রাহকের কাছে এসএমএস পাঠানো হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের সব শাখায় প্রচার-প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ কার্যক্রমকে স্মরণীয় করে রাখতে এরই মধ্যে তিন ও ছয় টাকা দামের ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবিএস সূত্রে জানা যায়, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসোর সহায়তায় দেশের সব মৌজা ও ইউনিয়নের চিত্র সংবলিত ৭০ হাজার ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। প্রচলিত ম্যাপের পরিবর্তে এ ম্যাপ ব্যবহার করা হলে কোনো এলাকা যেমন বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না, তেমনি তথ্যের গরমিল হওয়ার আশঙ্কাও থাকবে কার্যক্রম চালানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।