আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

কোরবানীর বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

সজীব দেব

প্রতিবছর কোরবানীর ঈদে ঢাকাসহ সারাদেশে প্রচুর পশু জবাই হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতিদিন ঢাকায় প্রায় এক হাজার গরু, ৫০০ মহিষ এবং পাঁচ হাজার খাসি ও ভেড়া মিলিয়ে প্রায় ছয় সাত হাজার পশু রাজধানীর সড়ক এবং তার আশপাশে জবাই করা হয়।

কোরবানীর রক্ত ও বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলার কারণে নগরের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। নদী ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম বড় কারণ এই পশুর রক্ত ও বর্জ্য।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদের দিনও পচা দুর্গন্ধের কারণে মহানগরের বিভিন্ন সড়কে পথচারী ও যাত্রীদের মুখে রুমাল চেপে চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষত, পুরান ঢাকার বেশ কয়েকটি সড়কের ড্রেন কোরবানির পশুর নাড়িভুঁড়ি ও ময়লা-আবর্জনায় আটকে গেছে। পুরান ঢাকার রসুলবাগ, চৌধুরীবাজার, শেখ সাহেববাজার, নবাবগঞ্জ রোড, আরমেনিয়ান স্ট্রিট, বাঘডাসা লেন, নাজিরাবাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকার ড্রেনের মধ্যে কোরবানির পশুর ময়লা-আবর্জনা আটকে গেছে। ড্রেনে ফেলা নাড়িভুঁড়ি পঁচে এখন ভয়ানক দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

এর আগে ঈদ-উল-আজাহা উপলক্ষে ঢাকা সিটি কর্পোরশেন ২৬ নভেম্বর নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ঘোষণা দেয়। এ জন্য ডিসিসি ঈদের দিন সড়কের ওপর থেকে পশুর রক্ত ও বর্জ্য পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার জন্য দমকল বাহিনীর ১২টি পানিবাহী গাড়ি ব্যাবহার করে।একই সঙ্গে ১৩টি অতিরিক্ত ট্রাকে করে মহানগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ করা হয়।এছাড়া ঈদের পরদিনও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নগরের বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য সরাতে দেখা গেছে।

ডিসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান, ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা জানান, মহানগরের ৯০টি ওয়ার্ড এলাকায় ভ্যান গাড়িতে করে এবং পানির ট্যাংকির মাধ্যমে পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পশুর হাটে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের বর্জ্যে যাতে সড়ক ও পরিবেশের স্বাভাবিকতা নষ্ট না হয়, সে জন্য প্রতিষেধক স্যাভলন মেশানো পানি দিয়ে ধোয়া-মোছার কাজ করা হয়েছে। এরপরও নগরের কোথাও পশুর বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে তা ঢাকা সিটি কর্পোরশেনের নিয়ন্ত্রণকক্ষকে জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।