স্বাস্থ্যের সব খবর সবসময়
জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাবে বছরে অপ্রত্যাশিত গর্ভ ধারণ দেড় লাখ -গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশএইচ এম দিদার |
দেশে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা উপকরণের স্বল্পতা বা মজুদ শূন্যতার নেতিবাচক প্রভাব গিয়ে পড়ছে মানব ও অর্থনীতির ওপর। বড়ি, ইনজেকশন ও কনডমের স্বল্পতা বা মজুদহীনতা বা অনিয়মিত সরবরাহ প্রকট আকার ধারণ করছে। এতে শতকরা ৭ দশমিক ৪ ভাগ মানুষ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হচ্ছেন। ব্যাপক সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে। একই কারণে প্রতি বছর অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণের শিকার হয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮শ' জন নারী। যাদের ৯০ হাজার ২শ' ৪০ জন এ সমস্যা থেকে মুক্ত হতে 'এমআর' ও ২২ হাজার ৫শ' ৬০ জন 'এবরশন' করছেন। আর স্বাস্থ্য সমস্যার শিকার হয়ে চিকিৎসার পেছনে প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। গবেষণা প্রতিবেদনে অবাধ জন্ম নিয়ন্ত্রক উপকরণ সংগ্রহের সুযোগ বৃদ্ধি করার উপর জোর দিতে হবে। স্থায়ীভাবে উৎপাদনকারীদের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান এবং জেলা পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা সমিতির ক্ষমতা বাড়াতে হবে। জাতীয় বাজেটে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত বরাদ্দ সহ বিষয়টিকে নিবিড় পর্যবেণের আওতায় নিতে হবে। কর্মশালার আয়োজন এবং সর্বোপরি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। মাঠপর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, বেসরকারী সংস্থার সেবাকে সঠিক ব্যবহারের আওতায় নিতে হবে। আর অভিজ্ঞ লোকবলের সাহায্যে পরিবার পরিকল্পনার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। |
বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) এবং হিউম্যান ডেভেলপম্যান্ট রিসার্চ সেন্টারের (এইচডিআরসি)এক যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয় দেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাবে বছরে অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ হয় দেড় লাখ।তাছাড়া ৪৭ হাজার শিশু একই কারণে জন্মলাভ করে।
Copyright © 2009 |Amarhealth|