আমারহেলথ (১৬ আগস্ট, সোমবার) বিভিন্ন কারনে সমাজে নারীদের আত্মহননের ঘটনা বাড়ছে। সমাজের নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পর্যন্ত সব শ্রেণীর নারীই ভয়ানক আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।
মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, জীবন সম্পর্কে অসচেতনতা, হতাশা ও সামাজিক নিরাপত্তার অভাবেই এ ঘটনাগুলো ঘটছে। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গণসচেতনতা গড়ে তুলতে পারলে আত্মহত্যার প্রবণতা কমবে।
রাজধানীর দক্ষিণ কমলাপুরের বিলাসী, জুরাইনের গৃহবধু রিতা খিলগাঁওয়ের সিমি, মিরপুরের ফাহিমা, খুলনার রুমি, গাইবান্ধার তৃষা, স্বপ্না ও সাভারের তিথির মতো অসংখ্য কিশোরী নিজের জীবনের সমাপ্তি টেনেছে আত্মহননের মধ্য দিয়ে।
এসব মৃত্যু শুধু মৃত্যুই নয়, একেকটি আমাদের অভিশপ্ত সামাজিক জীবনের বিষাদময় কাহিনী বলে মনে করেন সচেতন মহল।
তাদের মতে, আত্মাহত্যা কখনই কোন প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহতাব খানম বলেন, আত্মহত্যার প্রবনতা থেকে মেয়েদের ফিরিয়ে আনা পরের বিষয় আগে দেশ কিংবা সমাজে মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর আত্মহত্যার কারণ খতিয়ে দেখতে হবে কেন মেয়েরা আত্মহত্যা করে।
এডভোকেট মনজিল মোরসেদ মনে করেন, আত্মহত্যাগুলোর পেছনে যে মূল কারণ থাকে তা আদৌ খুঁজে বের করে না প্রশাসন। যে জন্য দেশে একের পর এক আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়েই চলছে।
বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সিগমা হুদা বলেন, একটা সময় ছিল যখন মানুষ অতি দরিদ্রতার জন্য আত্মহত্যা করতো। সেসব এলাকা চিহ্নিতও করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে দেশে ভিন্ন ভিন্ন কারণে নারীরা আত্মহত্যা করছে।
|