স্বাস্থ্যের সব খবর সবসময়
জলবায়ু সন্মেলনের তহবিল প্রাপ্তিতে বিলম্ব, দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা |
এইচ এম দিদার: গত বছরের শেষ দিকে ১৯ ডিসেম্বর ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে শেষ হয়েছে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন। কপ-১৫ নামে পরিচিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন শুরু হয় গত ৭ ডিসেম্বর। ১৯২ টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা এই সম্মেলনে যোগ দেন। অনেক আগ্রহ নিয়ে সারা পৃথিবীর মানুষ এর দিকে লক্ষ্য রাখছিল। কারণ এই সম্মেলনের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছিল ভূ-পৃষ্ঠের মানুষের আগামী প্রজন্মের জীবন। যখন সমুদ্রপৃষ্ঠের জলমাত্রার কাছাকাছি অনেক ছোট ছোট দেশ হয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, সবুজ শ্যামল শষ্যক্ষেত ভরা জমি বাড়তি সাগরের লোনাজলে তলিয়ে যাবে। সম্মেলন শেষে একটি চুক্তি হয়েছে। যদিও সে চুক্তির সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন অনেক রয়েছে। সমালোচকদের মতে এই সম্মেলনে যা হয়েছে তা হলো বস্তুতই বাগাড়ম্বরতা। যাতে আছে এমন সব প্রতিশ্রুতি, যা পালিত হওয়ার কোনোই নিশ্চয়তা নেই। অধিকন্তু ১৯২ টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের অংশগ্রহণে সমৃদ্ধ এ সম্মেলন শেষ হলো অনেক নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়ে। সম্প্রতি বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের দ্বি-বার্ষিক অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও একই অভিমত ব্যক্ত উল্লেখ্য বাংলাদেশ সরকার জলবায়ুর হুমকি মোকাবেলায় নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্যমতে সরকার এ পর্যন্ত ১৩৪ টি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক কর্মসূচির অনুমোদন দিয়েছে। এজন্য ১০ কোটি মার্কিন ডলারের জলাবায়ু পরিবর্তন ফান্ড গঠন এবং দাতাদের সহায়তায় আরও ১৫ কোটি মার্কিন ডলারের মাল্টি ডোনার ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে। ক্ষতিগ্রস্থ্য দেশ সমূহ তহবিলের কত অংশ পাবে তার সুস্পষ্ট কোন নির্দেশিকা এখনও পরিস্কার নয় বলে আমার হেলথ’কে জানান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দেলনের সাধারণ সম্পাদক ডা: আব্দুল মতিন। তিনি আরো জানান বাংলাদেশের দাবী ছিল জনসংখ্যার ভিত্তিতে মোট তহবিল বন্টন করার নীতিতে আসা। কেননা বর্তমান বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সরাসরি হুমকির সন্মুখীন। আর বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষ এর অর্ন্তভুক্ত বিধায় বাংলাদেশ সরকার মোট তহবিলের ১৫ শতাংশ দাবি করে আসছে। তবে খুব শীঘ্রই প্রাপ্য অর্থের অবমুক্তির ব্যাপারে বিলম্ব ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে ভোগাবে বলে তিনি মনে করেন।
|
Copyright © 2009 |Amarhealth|