ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামের পুরনো সকল উপকরণ সরিয়ে নতুন উপকরণ আনা হয়েছে। ৩৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ এসকল উপকরণ ক্রয় করেছে। এছাড়াও ২০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে উন্নত মানের আধুনিক জ্যুডো ও কারাতে ম্যাট ক্রয় করা হয়েছে। আধুনিক জিমনেসিয়াম উপকরণের মধ্যে রয়েছে ট্রেড মীল, ইলেক্টিক বাই সাইকেল, প্রগ্রামাস বাই সাইকেল, ম্যানুয়্যাল স্প্রিং বাই সাইকেল, ট্রেন স্টেশন, বক্সিং বল, সেটাপ ব্যাঞ্চ, এভাকিং এবং ওয়েট লিপ্টিং ইত্যাদি।
নতুন এই উপকরণ আসার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট জিমনেসিয়াম ব্যাবহারের নতুন নিয়ম করে দেয়। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক ২০০ টাকা এবং শিক্ষক ও বহিরাগতদের জন্য মাসিক ৫০০ টাকা ফি নির্ধারন করা হয়। একই সাথে ছাত্রীদের জন্য সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত, শিক্ষকদের জন্য দুপুর ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এবং ছাত্র ও বহিরাগতদের জন্য বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সময় নির্ধারন কর হয়।
নতুন এসকল উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। তবে তারা বহিরাগতদেরর জন্য আলাদা সময় নির্ধারন, জিমনেসিয়ামের আয়তন সম্প্রসারন, জিমনেসিয়ামের মধ্যে খাবারের দোকান এবং ছাত্রীদের জন্য আলাদা জিমনেসিয়ামের দাবি করেন। রাষ্ট্র বিঞ্জান বিভাগের ৪র্থ বর্ষে ছাত্র তরিকুল ইসলাম জানান, পূর্বের তুলনায় জিমনেসিয়ামের বর্তমান অবস্থা অনেক ভালো। কিন্তু বহিরাগতদের সাথে একত্রে ব্যায়াম করতে আমাদের কিছু সমস্যা হয়। তাই তাদেরকে আলাদা সময় ঠিক করে দেওয়া উচিৎ। অর্থনীতি বিভাগ ২য় সেমিস্টারের ছাত্র জাহিদ জানান, জিমনেসিয়ামের মধ্যে এখন গাদাগাদি অবস্থা। আরও খোলা মেলা হলে ভালো হয়। রাষ্ট্র বিঞ্জান এম ফিল ফাইনালের ছাত্র এম এ রাজ্জাক রেজা বলেন, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য আলাদা জিমনেসিয়াম হলে ভালো হয়। এত করে আমরা সকাল বিকাল যে কোন সময় জিম করতে পারব।
বিশ্ববিদ্যালয় শরীরিক শিক্ষা কেন্দের পরিচালক শওকতুর রহমান চিনু বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি ও মান সম্মত শারীর চর্চার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জিমনেসিয়ামের নতুন উপকরণ ক্রয় করেছে। বর্তমান প্রশাসন শরীর চর্চা ও খেলা ধুলার ব্যাপারে অনেক বেশি উৎসাহী। তারা এতে পূর্নভাবে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের উন্নত সুযোগ সুবিধা প্রদানের জন্য বেইজিং এর জিমনেসিয়াম গুলোর আদলে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি উড এন্ড ফ্লের জিমনেসিয়াম তৈরি করা হচ্ছে।
|