আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটালাইজড করতে সরকার সচেষ্ট: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নাজিবুল্লাহ: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ক্যাপটেন (অব) ডা. মজিবুর রহমান ফকির বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগন এখনও স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত। সবার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও চিকিৎসা খাতে বিরাজমান সংকট কাটাতে কাজ করে যাচ্ছে তার সরকার। বিগত ৭ বছর ধরে স্বাস্থ্য খাতে নিয়োগ না হওয়ার কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটালাইজড করার জন্য সবকিছু করবে । গত ৫ মার্চ বিকেলে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে নন কমিউনিকেবল ডিজেজ ফোরাম আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে চিকিৎসকদের ৬৮০০ পদ খালি আছে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা অস্থায়ী (অ্যাডহক) ভিত্তিতে ৪ হাজার ১৩৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে যাচ্ছি। ২ মাস পর বাকি নিয়োগ সম্পন্ন হবে। এছাড়াও চলতি বছরেই ৬৪০০ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে মোট ৬ হাজার নার্স প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই ২৬০০ নার্স নিয়োগের দরখাস্ত আহবান করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে মোট ৩২ হাজার নতুন নিয়োগ প্রয়োজন। পর্যায়ক্রমে সকল নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটালাইজড করার জন্য সরকার সারাদেশে ৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে ল্যাপটপ প্রদান করবে।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ডা. আব্দুল মালিক, জাতীয় অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এমিরিট প্রফেসর ড. সুফিয়া রহমান, প্রফেসর ডা. এ.কে. আজাদ, নন কমিউনিকেবল ডিজেজ ফোরামের সভাপতি ডা. এ.কে.এম রফিক উদ্দিন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ পাঠ করেন, বিশ্ব কৃষি ও খাদ্য সংস্থার পুষ্টিবিদ ড. ললিতা ভট্টাচার্য, আইসিডিডিআরবি’র গবেষক ড. দেওয়ান আলম এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. এ.এম জাকির হোসাইন।

চিকিৎসক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ১০ মার্চ

দেশের প্রান্তিক জনগনের জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত ও দেশে বিরাজমান চিকিৎসক সংকট কাটাতে সরকার অস্থায়ী (অ্যাডহক) ভিত্তিতে ৪ হাজার ১৩৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে বাছাই করে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনানো হয়েছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারী লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৯ হাজার ৭ শত ২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে। কবে নাগাদ মৌখিক পরীক্ষা হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানানো হয়নি। তবে সরকার সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচীপ) সূত্রে জানা যায় আগামী সম্ভাব্য ১০ মার্চ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। উল্লেখ্য স্বাধীনতার পর এই প্রথম অস্থায়ী ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।