আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগে বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু

নাজিবুল্লাহ

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীকে দূষণ মুক্ত করতে এর তলদেশে জমা হওয়া পলিথিন সহ অন্যান্য বর্জ্য অপসারনের কাজ শুরু হয়েছে। গত ৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে বুড়িগঙ্গা নদী সংলগ্ন বাবুবাজার ব্রিজের নিচে বাদামতলী ঘাটে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, পানিসম্পদমন্ত্রী, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ও পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে লাল ফিতা কেঁটে এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীতে সঞ্চিত পলিথিনসহ অন্যান্য বর্জ্য অপসারণ’ প্রকল্পের আওতায় এ কাজ শুরু হয়েছে। ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ চলবে। এ প্রকল্পের আওতায় বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তলদেশে জমা হওয়া ৪ কিলোমিটার নৌপথের প্রায় ১৮ লক্ষ ৫০ হাজার টন বর্জ্য অপসারন করা হবে।

এর আগে সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, পরিবেশবাদীরা অনেক দিন থেকে নদী বাঁচানোর আন্দোলন করে আসছেন। সরকার তাঁদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু করেছে।বুড়িগঙ্গাসহ অন্য সব নদী দখল ও দূষণমুক্ত করার কাজে সকলশ্রেণীর মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুল মান্নান হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সাংসদ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ.আ.ম.স আরেফিন সিদ্দিক, শিক্ষাবীদ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রমূখ।
এসময় পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, বর্তমান সরকার তার সময়ের মধ্যে রাজধানী ঢাকাকে একটি সুন্দর শহরে পরিনত করবে। এজন্য তিনি ঢাকা বাঁচাও আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহবান জানান।
বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, নদী দখলদার ও দূষণকারী যারাই হোক সরকার তাদের উচ্ছেদ করবে। এজন্য সরকারের সাথে জনগণকে একাত্ব হয়ে কাজ করতে হবে। এ সময় স্থানীয় লোকজন ও পরিবেশবাদী সংগঠন বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকা দিয়ে মানববন্ধন করে বর্জ্য অপসারণ কাজের প্রতি সমর্থন জানায়।