আমার পরিবেশ হেলথ পলিটিক্স ফার্মাসিউটিক্যাল আমার বিনোদন হেলথ এনজিও বিউটি এন্ড ফিটনেস আমার ডাক্তার হসপিটাল মেডিকেল কলেজ

ডা. মিলন হত্যার বিচার দাবিতে বিএমএ' র আলোচনা সভা

ইমান উদ্দিন ইমন ও এইচ, এম দিদার

ইমান উদ্দিন ইমন ও এইচ, এম দিদার : দীর্ঘ ৩৪ বছর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শহীদ ডা. শামসুল হক মিলন হত্যার বিচার দাবি করলেন তাঁর মা সেলিনা বেগম।  অকালে সন্তান হারা  এই মাকে আশ্বস্ত- করে জাতীয় সংসদের উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, মিলন হত্যারও বিচার বাংলার মাটিতে হবে।
তিনি আরো বলেন ওই সময় ঠিকমতো হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য প্রমাণ না নেয়ায় বিচারকার্য ব্যাহত হচ্ছে
। গত ২২ নভেম্বর সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শহীদ ডা. মিলন চত্বরে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডা. শামসুল হক মিলনের ১৯তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এ আলোচনাসভার আয়োজন করে ।

সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি ডা. মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে সকাল ১০.৩০ মিনিটে আলোচনা সভাটি শুরু হয় । অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব) ডা. মজিবুর রহমান ফকির, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহ আল নোমান, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি, ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, গণতন্ত্রী পার্টির মোহাম্মদ আফজাল, ডা. রশিদ-ই-মাহবুব, অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বর্তমান মহাসচিব ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, ডা. আবদুর রউফ সরদার, ডা. আবদুল আজিজ, ডা. কামরুল হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে শহীদ মিলনের মা সেলিনা আক্তার বলেন, ৩৪ বছর পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায়ে  গোটা জাতি আজ স্বস্থি প্রকাশ করছে। কিন্তু ডা. মিলন হত্যাকারীরা এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, মিলন হত্যার বিচার হবে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর, জেলা হত্যা, যুদ্ধাপরাধীসহ সকল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার হলেই মিলনের আত্মা শান্তি পাবে। ৩৪ বছর পর বঙ্গবন্ধু হত্যার মামলার রায় হয়েছে। এটা দ্রুত কার্যকর হবে বলে আমি আশা করি। খুনিদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। যুদ্ধাপরাধীসহ সকল হত্যাকাণ্ডের খুনিদের বিচার শুরু করা হবে। যারা দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করতে চেয়ে ছিল, মানচিত্রে চাঁদ-তারা লাগাতে চেয়েছিল তারা পেছনে সরে গেলেও এখনো সক্রিয়। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। আলেচনা সভায়  রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সকল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে। এ কারণে আমি বিশ্বাস করি শহীদ ডা. মিলন হত্যারও বিচার হবে। সকল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ উদ্ঘাটন হবে।