আমারহেলথ (২৯ আগস্ট, রবিবার): ঢাকার বাইরের জেলাগুলো থেকে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরু বা পশু ঢাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। এজন্য ঢাকার প্রবেশ মুখগুলোতে তল্লাশি চৌকি (চেকপোস্ট) বসানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এতে দায়িত্ব পালন করছে। প্রবেশ ঠেকাতে সকল পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ঢাকায় ঢোকানো হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের একথা বলেন।
এর আগে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে করণীয় ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছাড়াও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির, স্বাস্থ্য সচিব হুমায়ুন কবির, প্রাণিসম্পদ সচিব শরফুল আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক জানান, সিরাজগঞ্জ ও পাবনার সাতটি উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগ দেখা দিলেও এটি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ রোগটি পশু থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ার কোনো আশঙ্কা নেই। শুধু আক্রান্ত পশু জবাই, এর মাংস নাড়াচাড়া ও খাওয়ায় জড়িত ব্যক্তিরাই এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
তাই আক্রান্ত পশুকে চিহ্নিত করে নিধন (কালিং) করে মাটির ছয় ফুট নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। এতে এ রোগের জীবাণু সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। আক্রান্ত পশুকে অথবা ওই এলাকার সকল পশুকে প্রতিষেধক দিতে হবে।
তিনি আরো জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বিনামূল্যে এ প্রতিষেধক সরবরাহ করছে। আক্রান্ত ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও তা দিতে হবে।
|