কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ রক্তের একটি প্রধান নির্ভরযোগ্য কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। দু:সময়ে রক্ত নিয়ে সকলের পাশে আছে কোয়ান্টাম। ১৯৯৬ সালে শুরু হয় কোয়ান্টামের স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম। স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমে কোয়ান্টাম ১৪ এপ্রিল ২০০০ সালে নিজস্ব আধুনিক ল্যব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন ভাবে যাত্রা শুরু করে। আধুনিক প্রযুক্তি ও আপোষহীন মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সমৃদ্ধ কোয়ান্টাম ল্যাব ২৪ ঘণ্টা সেবা দিচ্ছে। গত ৯ বছরে কোয়ান্টাম ল্যাব সরবরাহ করেছে প্রায় দুই লক্ষ ব্যাগ নিরাপদ রক্ত ও রক্ত উপাদান। গড়ে তুলেছে ১৪ হাজার জীবন ও ৮২ হাজার অনিয়মিত রক্তদাতার ডোনার পুল। আপনার দেয়া এক ব্যাগ রক্ত আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে রক্ত উপাদানে বিভাজিত হয়ে বাঁচাতে পারে ৪টি প্রাণ। তাই বন্ধু ও আত্মীয়দের রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করুন।
কোয়ান্টাম রক্ত কার্যক্রমের বিশেষত্ব
প্রতি ইউনিট রক্ত ও এর উপাদান স্বেচ্ছা দান।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (who) নির্ধারিত মৌলিক ৫টি স্ক্রিনিং (হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইডস এবং ম্যালেরিয়া) বাধ্যতামূলকভাবে সম্পন্ন করা হয়। এগুলোর যে কোনোটির জীবাণু সম্পর্কে কোনোরকম সংশয় বা প্রশ্ন দেখা দিলে সে রক্তের ব্যাগ সাথে সাথে বাতিল বা ধ্বংস করা হয়। এই আপসহীন মনোভাবের কারণে ল্যাব থেকে সরবরাহকৃত রক্তের ব্যাপারে সারা দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এখন পুরোপুরি আস্থাশীল।
নিখুঁত ক্রস-ম্যাচিং অর্থাৎ থ্রি-ফেজ কম্প্যাটিবিলিটি (কক্ষ তাপমাত্রায়, ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এবং ইনডাইরেক্ট কুম্বস টেস্ট) টেস্ট করা হয়।
FDA অনুমোদিত উন্নতমানের (CPDA-১) ব্যাগে সযত্নে সংগৃহীত ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষিত।
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক ল্যাব-এ রয়েছে সেল সেপারেটর সেন্ট্রিফিউজ মেশিন, -৯০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার ডিপ ফ্রিজ, প্লাটিলেট ইনকিউবেটর এবং এলাইজা মেশিনসহ প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রপাতি।
রক্তদাতাকে প্রদেয় সেবা
প্রতিবার রক্তদানের পর রক্তদাতা উপহার হিসেবে পাচ্ছেন রক্তবাহিত ৫ টি রোগের (হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইডস এবং ম্যালেরিয়া) স্কিনিং রিপোর্ট।
রক্তদাতা রক্তদানের পরই পাবেন ডোনার কার্ড।
রক্তদাতা নিজ দেহের প্রয়োজনে জমাকৃত প্রতি ব্যাগ রক্ত ফেরৎ পাবেন কোন প্রসেসিং খরচ ছাড়া । অর্থাৎ রক্তের ব্যাগ ও স্ক্রিনিং করচ বাবদও কোনো অর্থ দিতে হবেনা । অতিরিক্ত (সঞ্চিত রক্তের সম পরিমাণ) প্রতি ইউনিটে প্রসেসিং খরচ মাত্র ৫০%।
রক্তদাতা তার মা-বাবা, স্বামী/স্ত্রী বা সন্তানের জন্য প্রসেসিং খরচে (সঞ্চিত রক্তের সম পরিমাণ) ছাড় পাবেন ২০%।
তিনবার রক্তদানের পর আজীবন রক্তদানের প্রতিশ্রুতি দিলে রক্তদাতা পাবেন সিরামিকসে মুদ্রিত সুদৃশ্য সম্মননা স্মারক এবং বিশেষ আইডি কার্ড ও সনদপত্র।
১০ বার রক্তদান করে লাইফ লং ব্লাড ডোনার সিলভার ক্লাব-এর সদস্য হলে রক্তদাতা পাবেন বিশেষ সম্মাননা মেডেল, আইডি কার্ড ও সনদ পত্র।
নিরাপদ রক্তের জন্যেই কোয়ান্টাম
সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কোয়ান্টাম ল্যাব প্লাটিলেট কনসেনট্রেট, ফ্রেশ প্লাজমা, ফ্রেশ ফ্রোজেন প্লাজমা, প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা, প্লাটিলেট পুওর প্লাজমা, প্রোটিন সলিউশন, আরসিসি, ক্রায়ো-প্রিসিপিটেট অর্থাৎ রক্তের ৮টি উপাদান সরবরাহ করছে। ফলে ডেঙ্গু, আইটিপি, থ্যালাসেমিয়া, ব্লাড ক্যান্সার, হিমোফিলিয়া, লিউকেমিয়া, আগুনে পোড়া, সিভিয়ার এনিমিয়াসহ যেকোনো রোগীর প্রয়োজনীয় রক্ত ও রক্ত উপাদানের জন্যে নিঃসঙ্কোচে যোগাযোগ করলে কোয়ান্টাম ল্যাব রক্ত সরবরাহ করে থাকে।
কোয়ান্টাম ল্যাব-এর ঠিকানা
স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম কোয়ান্টাম ল্যাব
৩১, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সড়ক (১১৯, পুরোনো শান্তিনগর ), ঢাকা-১২১৭ (ইস্টার্নপ্লাস মার্কেটের পূর্ব পাশে)
ফোন: ৯৩৫১৯৬৯, ৮৩২২৯৮৭, ০১৭১৪-০১০৮৬৯
ই-মেইল: blood@quantummethod.org.bd
ওয়েব সাইট: www.quantummethod.org |