সব মেডিকেল কলেজ বিএসএমএমইউর অধিভুক্ত হবে, চালু হচ্ছে রেসিডেন্ট স্নাতকোত্তর কোর্স কোয়ান্টাম দুঃসময়ের জন্য রক্ত সঞ্চয় করে জীবন বাঁচাতে রক্ত নিয়ে পাশে আছে সন্ধানী

অতিদ্রুত ঢামেক’কে একটি সুষ্ঠ পদ্ধতির আওতায় আনা হবে- হাসপাতাল পরিচালক

আমারহেলথ (৩০ আগস্ট, সোমবার): ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল হক বলেছেন, গত ৪/৫ মাস যাবৎ তারা হাসপাতালের ভেতরে একটা সিস্টেম দাঁড় করাতে চাচ্ছেন। সিস্টেমগুলোর মধ্যে রয়েছে- রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি করা, রোগীদের কাছে নিয়মিত ওষুধ পৌঁছানো, খাবারের মান বৃদ্ধি করা এবং হাসপাতালকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
সীমিত জনবল ও সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও এই সিস্টেম দাঁড় করানো সম্ভব হয় না।
রোববার বিকেলে হাসপাতালের নিজ কক্ষে দায়িত্বপালনরত বিভিন্ন মিডিয়ার মেডিকেল রিপোর্টারদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
হাসপাতাল পরিচালক বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার রোগী ও দর্শনার্থী আসা যাওয়া করে। প্রতিরাতে আড়াই হাজার রোগী ও এটেনডেন্ট হাসপাতালের ভেতরে অবস্থান করে। এই অবস্থায় সিস্টেম দাঁড় করানোটা খুবই দুঃসাধ্য একটি কাজ।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল হক আরো জানান, গত বছর ওষুধের খাতে বরাদ্দ ছিল দেড় কোটি টাকা। রোগীদের কাছে নিয়মিত সব ওষুধ যেন সরবরাহ করা হয় সে বিষয়টা আমরা নিশ্চিত করতে চাচ্ছি। কর্মচারীদের নানারকম অনিয়ম প্রসঙ্গে হাসপাতাল পরিচালক বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তাদের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ আমার কাছে করে না। ফলে ব্যবস্থা নেয়াটা দুরুহ হয়ে দাঁড়ায়। তারপরও মৌখিক অভিযোগ পেলেও আমরা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনে অবৈধ দোকানপাট প্রসঙ্গে হাসপাতাল পরিচালক বলেন, বিষয়টি সরকারের অন্যান্য সংস্থাকে জানানো হয়েছে, তারা বিষয়টি আমলে নেয় না। তিনি এ ব্যাপারে মেডিকেল রিপোর্টারদের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতাল শুধু আমার নয়, আপনাদেরও। মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের উপ-পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। 




আমারহেলথ গেষ্টবুকে

আপনি আপনার মতামত,পরামর্শ.অভিযোগ আমাদের জানান।