আমার হেলথ (২৫ জুলাই, রবিবার): চট্টগ্রামে আগ্রাবাদ এলাকায় অবস্থিত চিটাগাং ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজিতে ২৪ জুলাই, শনিবার দুপুরে ছাত্ররা আবারও ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এর আগে গত ১০ জুলাই ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনায় কলেজটি বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, শুক্রবার প্রতিষ্ঠানটির এমডি ডাক্তার মালেক চট্টগ্রামে এসে বিএসসি ছাত্রদের সাথে বৈঠক করে কোন রকম সমাধান না দিয়ে চলে যান। আজ ছাত্ররা ক্লাস করতে গেলে অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানের সাথে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এরপর ছাত্ররা ভাঙচুর শুরু করে। এ সময় তারা কয়েকটি কম্পিউটার, ল্যাব ও কলেজের ৩য় তলা থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত দরজা জানালা ভাঙচুর করে ও অন্যান্য বিভাগের ছাত্রদের ক্লাস থেকে বের করে দেয়। পরে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে হালিশহর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রতিষ্ঠানটির ছাত্র মন্জুর মোর্শেদ ও হারুন অর রশীদ বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে ৪ বছর মেয়াদি বিএসসি কোর্সে এ প্রতিষ্ঠানের ১ম ব্যাচে ভর্তি হই। এ সময় ওই প্রতিষ্ঠানের ৩টি বিভাগে একত্রে ল্যাবে ৫০ জন, ডেন্টালে ১৫ জন ও ফার্মেসি বিভাগে ১০ জন ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। তখন প্রতিষ্ঠানে ভর্তিবাবদ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে নিয়ে ভর্তি করানো হয় এবং প্রতি মাসে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসিক বেতন বাবদ দেড় হাজার টাকা করে নেয়া হচ্ছে। এভাবে দীর্ঘ ১৯ মাস অতিবাহিত করেছি।
বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা ওই কলেজে ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, ডেন্টাল ও বিএসসিতে মোট ২৫০ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রথম ৩টি বিভাগের সরকারি অনুমোদন থাকলেও বিএসসি'র কোন অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ দেড় বছর আগ থেকে এ বিভাগে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করে আসছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এটি পরিচালিত হবে বলে এর অনুমোদন এখন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে কলেজ কতৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে চবির সর্বশেষ সিন্ডিকেট সভায়ও বিএসসির অনুমোদন মেলেনি। তাই ছাত্ররা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ভাঙচুর করেছে।
|