১। আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হইতে হইবে।
২। (ক) আবেদনকারী যে শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করিবে তাহাকে একই শিক্ষাবর্ষে কিংবা তাহার পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষে এইচ.এস.সি/ সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইতে হইবে এবং ঐ শিক্ষাবর্ষের পূর্ববর্তী তৃতীয় ও চতুর্থ শিক্ষাবর্ষের এইচ.এস.সি/ সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইতে হইবে।
(খ) যাহারা পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন বিদ্যা, জীব বিদ্যাসহ এইচ.এস.সি/ আলীম/ এ লেবেল / ১২তম গ্রেড/ সমমান পরীক্ষায় পাশ করিয়াছে তহারাই কেবল মাত্র আবেদনের যোগ্য।
৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা: -
এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর যোগফল নূন্যতম ৭.০০ থাকিতে হইবে। পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠী অর্থাৎ উপজাতীয় এবং তিনটি পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় কোটাভূক্ত আসনের প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রাপ্ত জিপিএ এর যোগফল নূন্যতম ৬.০০ থাকিতে হইবে। তবে কোন অবস্থাতেই এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০০ এর নিচে গ্রহণযোগ্য হইবে না এবং এইচ এস সি এর বায়োলজীতে (Biology) নূন্যতম জিপিএ ১ হইতে হইবে।
৪। (ক) মোট ২০০ নম্বরের ভর্তি পরিক্ষা হইবে। এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি এর ফলাফলের জন্য = ১০০ নম্বর, এস.এস.সি = ৪০ এবং এইচ.এস.সি =৬০। এস.এস.সি -তে প্রাপ্ত জিপিএ-র ৮ (আট) গুন, এবং এইচ.এস.সি -তে প্রাপ্ত জিপিএ-র ১২ গুন।
(খ) লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ পদ্ধতি) = ১০০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষার বিভাজন পদার্থ বিদ্যা (এইচ.এস.সি) =২০, রসায়নবিদ্যা (এইচ.এস.সি ) = ২৫ জীববিদ্যা
( এইচ.এস.সি) = ৩০, ইংরেজী =১৫, সাধারন জ্ঞান=১০।
৫। মেধা কোটায় ৮০% ও জেলা কোটায় ২০% প্রার্থী নির্বাচন করা হইবে।
৬। ভর্তি পরীক্ষায় চুড়ান্ত ফলাফল ও প্রার্থীর দেওয়া কলেজ পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোন কলেজে ভর্তি হইবার সুযোগ পাইবে তাহা নির্ধারন করা হইবে।
৭। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন পত্র প্রক্রিয়াকরণ, নীরিক্ষাকরণ এবং ফলাফল চুড়ান্ত করণ কম্পিউটারের মাধ্যমে হইবে। SIF ফরম এবং উত্তর পত্র , OMR মেসিনে পরীক্ষা করা হইবে।
৮। ভর্তির আবেদন পত্র ২০/- (বিশ) টাকা এবং সেন্টার ফি ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা, মোট ৫২০/- (পাঁচশত বিশ) টাকা (অফেরতযোগ্য) পরিশোধ স্বাপেক্ষে নির্দিষ্ট মেডিকেল কলেজ হইতে ফরম সংগ্রহ করা যাইবে। প্রার্থীকে নিজে আবেদপত্র গ্রহণ, জমা এবং প্রবেশপত্র সংগ্রহ করিতে হইবে। একজন প্রার্থীকে প্রতিবারে একটির বেশী ফরম দেয়া হইবে না এবং আবেদন পত্রের রোল নং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত হওয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ তাহা আবেদন পত্রে লিপিবদ্ধ করিবার পর প্রবেশপত্র প্রদান করিবেন।
৯। (ক) আবেদন পত্রের সহিত নিম্ন লিখিত সনদসমূহ সংযুক্ত করিতে হইবে।
১. এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষাদ্ধয়ের মার্কশীটের সত্যায়িত ফটোকপি।
২. এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি বা সমমান পরীক্ষা পাসের সনদ বা টেষ্টিমোনিয়ালের সত্যায়িত ফটোকপি।
৩. জেলা কোটার দাবির ক্ষেত্রে স্থানীয় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র/ পৌরসভা চেয়ারম্যান/ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনারের প্রত্যয়ণ পত্রের ফটোকপি।
৪. চার কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের সত্যায়িত ছবি।
৫. পার্বত্য জেলার উপজাতীয় ও অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র এবং অন্যান্য জেলার উপজাতীয় প্রাথীদের ক্ষেত্রে গোত্র প্রধান ও ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
৬. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সংরক্ষিত আসনের জন্য প্রার্থীর পিতা অথবা মাতার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের স্বপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মাননীয় মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রী স্বাক্ষরিত সনদ পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
(খ) অসম্পূর্ন ও ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন পত্র বাতিল হইয়া যাইবে এবং ভর্তি পরীক্ষায় অবতীর্ন / উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে কোন ভুল তথ্য পাওয়া গেলে তাহার পরীক্ষা / ফলাফল বাতিল বলিয়া গন্য হইবে।
১০। ক) পুরাতন ৮টি ১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা ২. স্যার সলিমূল্লাহ ম্যডিকেল কলেজ, ঢাকা ৩. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ ৪.চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ৫. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী ৬. রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর ৭. শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল ৮. এম এ জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ, সিলেট সরকারী মেডিকেল কলেজের প্রতিটিতে ১৭৫ জন করিয়া এবং অন্য ৬ (ছয়)টি (১. ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর ২. শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুরা ৩. খুলনা মেডিকেল কলেজ, খুলনা ৪. দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ, দিনাজপুর ৫. কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা ৬. বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ, ঢাকা) সরকারী মেডিকেল কলেজের প্রুতিটিতে ১০০ জন করিয়া সর্বমোট ২০০০ জন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হইবে।
খ) ইহা ছাড়াও পশ্চাদপদ জনগোষ্টী অর্থাৎ তিনটি পার্বত্য জেলার উপজাতীয় ও অ-উপজাতীয় কোটাভূক্ত আসনের জন্য ১২ টি এবং পার্বত্য জেলা ছাড়া অন্যান্য জেলার পশ্চাদপদ জনগোষ্টী / উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য ৮ টি সহ সর্বমাট ২০ (বিশ) টি আসন সংরক্ষিত থাকিবে। পার্বত্য জেলার ১২ টি আসনের মধ্যে রাঙ্গামাটি, খাগরাছরি ও বান্দরবন পার্বত্য জেলার প্রতিটি হইতে ৩টি উপজাতীয় ও ১ টি অ-উপজাতীয় আসন প্রার্থীর জন্য আসন সংরক্ষিত থাকিবে।
গ) মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য ৪০টির অতিরিক্ত আসন সংরক্ষিত থাকিবে। এ সমস্ত প্রার্থীদেরও অন্যান্যদের ন্যয় নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হইতে হইবে। এই সংরক্ষিত আসন গুলিতেও সম্পূর্ন মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হইবে। যুক্তিযুক্ত সংখ্যক মেধভিত্তিক অপেক্ষমান তালিকা প্রকাশ করা হইবে এবং শূন্য আসনে মেধাভিত্তিক ভর্তি করা হইবে।
১১। ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। যে কোন মেডিকেল কলেজ হইতে ভর্তি পরীক্ষায় আংশগ্রহণ একই কথা। ঢাকা, স্যার সলিমুল্লাহ ও বেগম জিয়া মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে অতিরিক্ত চাপ পরিহার করার জন্য শুধু মাত্র ঢাকা বোর্ড হইতে পাশ করা ছাত্র / ছাত্রীদেরকে ঐ কলেজ সমূহ হইতে আবেদন পত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার জন্য বলা হইল, ঢাকা বোর্ড হইতে পাশ করা ছাত্র/ ছাত্রীরা ইচ্ছা করিলে ঢাকা, স্যার সলিমুল্লাহ ও বেগম জিয়া মেডিকেল কলেজ ছাড়াও যে কোন মেডিকেল কলেজ হইতে আবেদন পত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারিবে। সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কোন মেডিকেল কলেজই চার হাজারের বেশী ফরম সরবরাহ করিতে পারবে না।
১২। যাহারা বিদেশী শিক্ষা কার্যক্রমে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি / সমমান পরীক্ষায় উত্তির্ণ হইয়াছে, তাহাদের নম্বর পত্র জিপিএ তে পরিবর্তন করিয়া নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারন করা হইবে। ;ও লেভেল এর জন্য ৬ টি বিষয় (Best Six) এবং এ লেভেলের জন্য ৩ টি বিষয় (Biology, Chemistry physics) বিবেচনা করা হইবে। নির্ধারিত =১০০০/- টাকা ফি প্রদান পূর্বক স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হইত Equivalence certificat সংগ্রহ করিতে হইবে।
১৩। আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ এবং সকল বেসরকারী মেডিকেল কলেজের ক্ষেত্রে এই ভর্তি নীতিমালর অনুচ্ছেদ নং ১, ২, ৩ এবং ১২ অবশ্যই প্রযোজ্য হইবে।
১৪। ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাবলী সংস্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কার্যারয় হইতে জানা যাইবে।
বি: দ্র: - এই ভর্তি নীতিমালা বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনে পরিবর্তন কারা হইয়া থাকে। |