পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য ক্যাপসুল আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই ক্যাপসুল পূর্বে আবিষ্কৃত অন্যান্য পদ্ধতির চেয়েও অনেক বেশি প্বার্শ প্রতিক্রিয়াহীন।
নতুন এই ক্যাপসুল শুক্রাণুকে জরায়ুতে প্রবেশের আগেই অকার্যকর করে দেবে। ফলে নারীর অবাঞ্ছিত গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকবে না।
সম্প্রতি ইসরায়েলি গবেষকরা এ ব্যাপারে তাদের গবেষণার ফল প্রকাশ করেন।
তারা বলছেন, প্রতি তিন মাসে মাত্র একবার বড়ি খেলেই চলবে। ২০১৩ সালের মধ্যেই বাজারে পাওয়া যাবে এই ক্যাপসুল। জন্মবিরতিকরণ ইনজেকশনের মতো এই বড়িতে পুরুষদের হরমোন টেস্টোস্টেরন ও মেয়েদের হরমোন প্রজেস্টেরনের সমন্বয় ঘটানো হয়নি। এই ক্যাপসুল শরীরে ঢুকে শুক্রাণু থেকে গর্ভসঞ্চারকারী অতিপ্রয়োজনীয় প্রোটিন অংশ সরিয়ে ফেলবে। ফলে শুক্রাণু জরায়ুতে ঢুকলেও ডিম্বাণু নিষিক্ত করতে পারবে না।
গবেষকরা দাবি করেছেন যে, এতে নারীর গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ বন্ধ রাখতে সক্ষম হবে এই বড়ি।
গবেষক অধ্যাপক হেইম ব্রেইটবার্ট বলেন, ‘পুরুষরা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। এ কারণেই অনেকেই হয়তো ক্যাপসুল খেতে চাইবেন না। কিন্তু আমাদের উদ্ভাবিত বড়ির ক্ষেত্রে সে ভয় নেই।’
নতুন পিলটি প্রতি মাসে বা প্রতি তিন মাসে একটি করে খেলেই চলবে। গবেষকরা ইঁদুরের ওপর এই পিলের কার্যকারিতার পরীক্ষা চালান। ২০১১সালের শুরুর দিকে মানুষের ওপর এ পদ্ধতির পরীক্ষা চালানো হবে বলে জানা যায়।
টেলিগ্রাফঅবলম্বনে জাফর সাদেক শিবলী।
|